Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

২২ মে ২০২২ ই-পেপার

URL Copied
Something isn't right! Please refresh.

শৌচ প্রকল্পে স্বচ্ছ হোক তহবিল: মন্ত্রী

ইএম বাইপাসের ধারে একটি উদ্যানে এ দিন রাজ্যের সব পুরসভার প্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠকে বসেন মন্ত্রী। সেখানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় নগরোন্নয়ন মন্ত্

নিজস্ব সংবাদদাতা
কলকাতা ০৬ নভেম্বর ২০১৯ ০৪:৫৩
Save
Something isn't right! Please refresh.
ছবি: সংগৃহীত।

ছবি: সংগৃহীত।

Popup Close

প্রকল্পের নাম ‘স্বচ্ছ ভারত মিশন’। তাই অ্যাকাউন্ট বা তহবিলে স্বচ্ছতা বাঞ্ছনীয়। অতএব তহবিলেও থাক স্বচ্ছতা। মঙ্গলবার রাজ্যের ১২৫টি পুরসভার প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে এটাই বোঝালেন রাজ্যের পুর ও নগোরন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম।

ইএম বাইপাসের ধারে একটি উদ্যানে এ দিন রাজ্যের সব পুরসভার প্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠকে বসেন মন্ত্রী। সেখানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় নগরোন্নয়ন মন্ত্রকের সচিব দুর্গাশঙ্কর মিশ্র-সহ পদস্থ কর্তারা।

রাজ্যের ১২৫টি পুরসভার মধ্যে ৪২টি পুরসভা উন্মুক্ত শৌচ মুক্ত নয়। উন্মুক্ত শৌচ মুক্ত করার জন্য রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় অনেক আগেই পুরসভাগুলিকে বরাদ্দ অর্থ পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে জেলাশাসকদের মাধ্যমে। প্রশাসনিক সূত্রের খবর, কোথাও কোথাও জেলাশাসক ও পুরসভার কাছে বরাদ্দ অর্থ পড়ে রয়েছে। পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী এ দিন ওই সব পুরসভার কর্তৃপক্ষকে কার্যত হুঁশিয়ারি দিয়ে জানান, আগামী ৭ ডিসেম্বরের মধ্যে শৌচ মুক্ত করার কাজে বরাদ্দ অর্থ ব্যবহার করতে হবে। তা না-হলে ওই অর্থ ফিরিয়ে দেওয়া হবে কেন্দ্রীয় সরকারকে। বিষয়টি স্বচ্ছ ভারত মিশনের সঙ্গে যুক্ত। তাই এ ক্ষেত্রে অ্যাকাউন্টের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে হবে বলেও মন্তব্য করেন ফিরহাদ। তিনি জানান, মিশন নির্মল বাংলা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বপ্নের প্রকল্প। তাঁর রাজ্যের ৪২টি পুরসভার উন্মুক্ত শৌচ মুক্তিতে দেরি হওয়াটা কিয়দংশে ‘ব্যর্থতা’ বলেই মনে করেন তিনি। এ ক্ষেত্রে অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছে বামফ্রন্ট পরিচালিত শিলিগুড়ি পুরসভা। স্বচ্ছ ভারত মিশনই বাংলায় মিশন নির্মল বাংলা প্রকল্প হিসেবে এগোচ্ছে। উন্মুক্ত শৌচ মুক্তির বিষয়ে কে কবে কাজ করবেন, তার লিখিত প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন পুর-কর্তৃপক্ষ।

Advertisement

আরও পড়ুন: বাংলার উপনির্বাচনেও তিন পুলিশ-পর্যবেক্ষক

কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে পুরসভাগুলিকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করারও নির্দেশ দিয়েছেন পুরমন্ত্রী। কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে রাজ্যের পুর দফতরের ভূমিকায় কেন্দ্রীয় নগরোন্নয়ন মন্ত্রকের সচিবও যে খুব খুশি, এ দিনের বৈঠকে সেটা বুঝিয়ে দেন তিনি। এ দিন একসঙ্গে ৭০টি পুরসভার কাজের পর্যালোচনা করেন পুর দফতরের সচিব সুব্রত গুপ্ত।



Something isn't right! Please refresh.

আরও পড়ুন

Advertisement