• নিজস্ব সংবাদদাতা 
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

বাংলার উপনির্বাচনেও তিন পুলিশ-পর্যবেক্ষক

ECI
ছবি: সংগৃহীত।

Advertisement

খড়্গপুর (সদর), করিমপুর এবং কালিয়াগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন আজ, বুধবার। এই উপনির্বাচনে তিন জন আইএএস অফিসারকে সাধারণ এবং তিন জন আইপিএস অফিসারকে পুলিশ-পর্যবেক্ষক হিসেবে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। 

কালিয়াগঞ্জে সাধারণ পর্যবেক্ষক হচ্ছেন রাজেন্দ্রপ্রতাপ সিংহ। করিমপুরে অলকা শ্রীবাস্তব। খড়্গপুর জিটি পাণ্ড্য। কালিয়াগঞ্জে পুলিশ-পর্যবেক্ষক হয়ে আসার কথা ডালটন পি মারাকের, করিমপুরে সরোজকুমার ঠাকুর, খড়্গপুর সদরে দেবেশকুমার মহলা। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, বিধানসভা উপনির্বাচনে পুলিশ-পর্যবেক্ষক নিয়োগ নজিরবিহীন।

মঙ্গলবার রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী অফিসার (সিইও) আরিজ আফতাবের সঙ্গে বৈঠক করেন রাজ্য পুলিশের এডিজি (আইনশৃঙ্খলা) জ্ঞানবন্ত সিংহ। কালিয়াগঞ্জ ও খড়্গপুর সদরে ২৭০টি করে বুথ রয়েছে। করিমপুরে ২৬১। মোট ৮০১টি বুথেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতিতে ভোট চেয়ে নির্বাচন কমিশনে চিঠি পাঠিয়েছিল বিজেপি। কমিশন তা বিবেচনা করছে।

আরও পড়ুন: বেতন বৃদ্ধি, তবু খুশি নন কলেজ শিক্ষকরা

প্রশাসনিক সূত্রের খবর, আধাসেনা দিয়ে ভোটের সম্ভাবনা অনেকাংশে উজ্জ্বল। তবে রাজ্যের বক্তব্য, সব বুথে বাহিনীর প্রয়োজন নেই। যথেষ্ট দক্ষ রাজ্য পুলিশও। তাদের ব্যবহার করার পক্ষেই সওয়াল করতে চায় রাজ্য প্রশাসন। তাদের মতে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে একটি দলের তরফে কমিশনকে যে-চিঠি দেওয়া হয়েছে, তা অনেকাংশে ‘অতিরঞ্জিত’। প্রশাসনের অন্য একটি অংশের মতে, কমিশনের পক্ষে মাত্র ৮০১টি বুথে বাহিনী পাঠানো সহজ। কারণ, ওই সংখ্যক বাহিনী পেতে অসুবিধা নেই। তবে উপনির্বাচনে সব বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যবহার করলে ভবিষ্যতের পক্ষে সেটা দৃষ্টান্ত হয়ে যেতে পারে। বাস্তবে তার কোনও প্রয়োজনও নেই। 

তিন বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন হবে ২৫ নভেম্বর, সোমবার। ফল বেরোবে ২৮ নভেম্বর, বৃহস্পতিবার।

সবাই যা পড়ছেন

Advertisement

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন