সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি, শনিবার পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকা প্রকাশ করতে চলেছে নির্বাচন কমিশন। খসড়া তালিকার মতো এই তালিকাটিও দুই ভাবে দেখা যাবে। অনলাইন মাধ্যমের পাশাপাশি অফলাইনে তালিকা দেখতে পাবেন ভোটারেরা। তাঁদের নাম কমিশনের তালিকায় কী অবস্থায় রয়েছে, দু’ভাবেই তা যাচাই করা যাবে।
কমিশন সূত্রে খবর, তালিকা প্রকাশের পর অনলাইনে নির্বাচন কমিশনের মূল ওয়েবসাইট (eci.gov.in), রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের ওয়েবসাইট (ceowestbengal.wb.gov.in) এবং ইসিআই নেট অ্যাপে তা দেখতে পাওয়া যাবে। নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট বা অ্যাপে গিয়ে নিজের নাম এবং এপিক নম্বর (ভোটার কার্ডের নম্বর) দিলেই ভোটার দেখতে পাবেন, তাঁর নাম কমিশনের তালিকায় কী অবস্থায় রয়েছে। যদি ইতিমধ্যে তাঁর নাম যাচাই করা হয়ে গিয়ে থাকে এবং কোনও সমস্যা না থাকে, তবে স্বাভাবিক ভাবেই নাম উঠে আসবে তালিকায়। যদি নাম এখনও যাচাই না-করা হয়ে থাকে, তবে তার নীচে ‘অ্যাডজুডিকেশন’ বা ‘বিচারাধীন’ লেখা থাকবে। কারও নাম মুছে দেওয়া হলে নীচে লেখা থাকবে ‘ডিলিটেড’। মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল বৃহস্পতিবার এ কথা জানিয়েছেন।
আরও পড়ুন:
এ ছাড়া, বিভিন্ন জেলার জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের (ডিইও) ওয়েবসাইটেও নাম এবং এপিক নম্বর দিয়ে একই পদ্ধতিতে ভোটার তালিকা দেখা যাবে।
অফলাইন মাধ্যমে কেউ ভোটার তালিকা দেখতে চাইলে যেতে হবে বুথ স্তরের আধিকারিকদের (বিএলও) কাছে। কমিশন সূত্রে খবর, রাজ্যের সকল বিএলও-কে ভোটার তালিকার ‘হার্ড কপি’ দেওয়া হবে। ভোটারেরা নিজেদের এলাকার বিএলও-র কাছে গিয়ে নিজেদের নাম যাচাই করতে পারবেন। এ ছাড়া, রাজ্যের স্বীকৃত আটটি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের হাতে তালিকার ‘সফ্ট কপি’ তুলে দেবে সিইও দফতর। জেলা স্তর থেকে রাজনৈতিক দলের বুথ স্তরের এজেন্টদের (বিএলএ) হাতেও তালিকার ‘হার্ড কপি’ দেওয়া হবে।
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে তথ্যগত অসঙ্গতির বিচার করছেন কলকাতা হাই কোর্ট নিযুক্ত বিচারবিভাগীয় আধিকারিকেরা। যাঁদের নাম পরবর্তীতে যাচাই হবে, তা চূড়ান্ত তালিকায় সেই মতো প্রকাশ করা হবে। প্রাথমিক ভাবে ২৮ তারিখের তালিকায় সকলের নামই রাখবে কমিশন। কেবল আলাদা করে কাদের নাম যাচাই হওয়া বাকি, তা উল্লেখ করে দেওয়া হবে। সূত্রের খবর, এখনও পর্যন্ত সেই সংখ্যা ৬০ লক্ষ।