হাওড়ার ডোমজুড়ের কেশবপুরে পঞ্চায়েত এলাকায় রাস্তা তৈরি নিয়ে উঠল দুর্নীতির অভিযোগ। ‘পাড়ায় সমাধান’ প্রকল্পে গ্রামের রাস্তা এলাকারই এক বাসিন্দার ব্যক্তিগত জমির উপরে তৈরি হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনার প্রতিবাদে গ্রামবাসীরা স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যের বাড়ি ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখায়। বেগড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের অভিযুক্ত তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য এ ব্যাপারে কিছু বলতে অস্বীকার করেন।
ডোমজুড়ের কেশবপুরে ৩০১ নম্বর বুথ এলাকায় পাড়ায় সমাধান প্রকল্পের অধীনে ৭৫.৫১ মিটার লম্বা এবং ২.১০ মিটার চওড়া রাস্তা তৈরি শুরু হয়। ওই রাস্তা দীর্ঘদিন খারাপ ছিল বলে অভিযোগ। বর্ষায় গ্রামবাসীদের রাস্তা দিয়ে চলাফেরা করতে অসুবিধা হয়। কিন্তু গ্রামবাসীদের জন্য অনুমোদিত রাস্তা দিন পনেরো আগে এলাকারই এক বাসিন্দার বাড়ির কাছে তৈরি হয় বলে অভিযোগ। এতে গ্রামবাসীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন।
বৃহস্পতিবার গ্রামবাসীরা এর প্রতিবাদে তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য প্রতিমা দাসের বাড়িতে দীর্ঘ ক্ষণ ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখান। তাঁকে কার্যত ঘরে আটকে রাখেন। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, সরকারি প্রকল্পে রাস্তা তৈরির টাকা ব্যবহার করা হয়েছে ব্যক্তিগত রাস্তা তৈরিতে। এর পিছনে ‘কাটমানির খেলা’ হতে পারে। অন্য দিকে, যাঁর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ, সেই বেগড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল সদস্য প্রতিমা দাস জানান, তিনি এ ব্যাপারে কিছু জানেন না। তাঁকে সময় দিতে হবে। বিজেপির পক্ষ থেকে গোটা ঘটনার সমালোচনা করা হয়েছে। বিজেপির অভিযোগ, সরকারি টাকায় ব্যক্তিগত রাস্তা তৈরি করা হয়েছে। এর নেপথ্যে দুর্নীতি রয়েছে।