Advertisement
১৪ জুলাই ২০২৪
Extra marital Affair

Extra Marital Affair: শ্বশুরবাড়িতে ঠাঁই হল না কর্মকার পরিবারের দুই বধূর, থানা থেকে গেলেন বাপেরবাড়ি

দুই রাজমিস্ত্রি শেখর রায় এবং শুভজিৎ দাসের হাত ধরে বাড়ি ছেড়েছিলেন বালির নিশ্চিন্দার কর্মকার পরিবারের দুই বধূ অনন্যা এবং রিয়া।

ঘর ছেড়ে প্রেমিকদের হাত ধরে চলে যাওয়া দুই বধূকে আপাতত ফিরিয়ে নিল না হাওড়ার নিশ্চিন্দার কর্মকার পরিবার

ঘর ছেড়ে প্রেমিকদের হাত ধরে চলে যাওয়া দুই বধূকে আপাতত ফিরিয়ে নিল না হাওড়ার নিশ্চিন্দার কর্মকার পরিবার

নিজস্ব সংবাদদাতা
কলকাতা শেষ আপডেট: ২৩ ডিসেম্বর ২০২১ ২২:০১
Share: Save:

ঘর ছেড়ে প্রেমিকদের হাত ধরে চলে যাওয়া দুই বধূকে আপাতত ফিরিয়ে নিল না হাওড়ার নিশ্চিন্দার কর্মকার পরিবার। অন্য দিকে, তাঁদের দুই প্রেমিককে বৃহস্পতিবারই ১৪ দিনের জন্য জেল হেফাজতে পাঠিয়েছে আদালত। দুই বধূর সঙ্গে যাওয়া বাচ্চাটিকে আদালত তার বাবার হাতে তুলে দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার আদালতে গোপন জবানবন্দি দেন ওই দুই বধূ। এর পর বিকেল সাড়ে পাঁচটা নাগাদ তাঁদের নিয়ে আসা হয় নিশ্চিন্দা থানায়। সেখানে বেশ কিছু ক্ষণ বসে থাকেন তাঁরা। এর পর বাপেরবাড়িতে ফিরে যান ওই দুই তরুণী।

দুই রাজমিস্ত্রি শেখর রায় এবং শুভজিৎ দাসের হাত ধরে বাড়ি ছেড়েছিলেন বালির নিশ্চিন্দার কর্মকার পরিবারের দুই বধূ অনন্যা এবং রিয়া। বুধবার তাঁদের চার জনকেই আসানসোল স্টেশনে মুম্বই মেল থেকে প্রাথমিকভাবে আটক করে জিআরপি এবং নিশ্চিন্দা থানার পুলিশ। ঘর ছেড়ে পালানোর সময় রিয়ার সঙ্গে ছিল তার সন্তান আয়ুষ। তাকে অপহরণের অভিযোগ রয়েছে শেখর এবং শুভজিতের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার ওই দু’জনকে আদালতে হাজির করা হয়। তাঁদের জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।

বৃহস্পতিবারই আয়ুষের জ্যাঠা পলাশ কর্মকার বলে দেন, ‘‘বাচ্চাকে ফেরত পেয়েছি। তবে এখন আমরা মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত। ওঁদের দু’জন (অনন্যা এবং রিয়া)-কে ফিরিয়ে নেওয়া হবে কি না, সে ব্যাপারে এখনও সিদ্ধান্ত নিইনি।’’ কর্মকারের পরিবারের এই বক্তব্যের পর, আদালতে বিচারপ্রক্রিয়া মিটতেই অনন্যা এবং রিয়া এখন কোথায় থাকবেন তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, X (Twitter), Facebook, Youtube, Threads এবং Instagram পেজ)
সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি:
Advertisement

Share this article

CLOSE