Advertisement
E-Paper

দাদু হয়ে গিয়েছেন বাবা! হাওড়ায় ২০০ ভোটারের একই অভিযোগ, বিএলও-র বাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ, অবরুদ্ধ রাস্তা

সাঁকরাইল বিধানসভার মহিয়াড়ি-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৩ নম্বর পার্টের প্রায় দু’শো ভোটারের দাদু গিয়েছেন বাবা। এমন কাণ্ডে শোরগোল এলাকায়। শনিবার সকালে তারা বিএলও কবিতা সাঁতরা সাহার বাড়ি ঘেরাও করে ঘণ্টাখানেক বিক্ষোভ দেখান।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ ১৭:৪৪
বিএলও-র বাড়ির সামনে বেঞ্চ পেতে বিক্ষোভ।

বিএলও-র বাড়ির সামনে বেঞ্চ পেতে বিক্ষোভ। —নিজস্ব ছবি।

এসআইআর প্রক্রিয়ায় দাদু হয়ে গিয়েছেন বাবা। ভুল এক-দু’জনের ক্ষেত্রে নয়, প্রায় দু’শো ভোটারের ক্ষেত্রে এই গরমিল হয়েছে। তাই সকলেরই ডাক পড়েছে শুনানিতে। এর প্রতিবাদে হাওড়ার ডোমজুড়ের মহিয়ারিতে বিএল-ওর বাড়ি ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখালেন স্থানীয়েরা। অবরুদ্ধ হল বিএলও-র বাড়ির সামনের রাস্তা। বিএলও অবশ্য মানছেন যে ভুল তাঁরই। তিনি শুনানির মাধ্যমে ত্রুটি সংশোধনের আশ্বাস দিয়েছেন। কিন্তু কেন তাঁর ভুলের জন্য এত জন মানুষকে লাইনে দাঁড়াতে হবে? পাল্টা প্রশ্ন তুললেন ক্ষুব্ধ বাসিন্দারা।

সাঁকরাইল বিধানসভার মহিয়াড়ি-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের তেরো নম্বর পার্টের প্রায় দু’শো ভোটারের দাদু গিয়েছেন বাবা। এমন কাণ্ডে শোরগোল এলাকায়। শনিবার সকালে তারা বিএলও কবিতা সাঁতরা সাহার বাড়ি ঘেরাও করে ঘণ্টাখানেক বিক্ষোভ দেখিয়েছেন। পাশাপাশি মহিয়ারি রোড অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান। এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, ভোটার খসড়া তালিকায় তাঁদে সকলের নাম উঠেছিল। তা সত্ত্বেও শুনানির নোটিস দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এলাকার প্রায় পাঁচশো ভোটারের মধ্যে দু’শো ভোটারের ক্ষেত্রে বাবার নামের জায়গায় দাদুর নাম ঢুকে গিয়েছে। অভিযোগ, বিএলও-র ভুলে এই সমস্যা। তাঁদের আরও অভিযোগ, এখন শুনানিতে গিয়েও হেনস্থা হতে হচ্ছে। তবে বিএলও জানিয়েছেন, তিনি অনের পরে কাজ শুরু করেছেন। কাজ করতে গিয়ে ১১০ জনের ক্ষেত্রে এই ভুল হয়ে থাকতে পারে। শুনানির পর তিনি এই ভুল সংশোধন করে দেবেন।

অন্য দিকে, শনিবারই শুনানিকেন্দ্রে হাজিরা দেন প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার তথা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী লক্ষ্মীরতন শুক্ল। দুপুরে পিলখানার কাছে ব্রিজ় অ্যান্ড রুফ কারখানার শুনানিকেন্দ্রে কাগজপত্র নিয়ে হাজিরা দেন। শুনানি থেকে বেরিয়ে তিনি বলেন, ‘‘গত ৭ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশনের কাছ থেকে শুনানির নোটিস পেয়েছিলাম। সেই অনুযায়ী, শুনানিতে এসেছিলাম।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘নির্বাচন কমিশন এবং ভারতীয় সংবিধানের প্রতি সম্পূর্ণ আস্থা আছে। আশা করছি, এসআইআর দেশের ভালর জন্যই হচ্ছে।’’

তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক জানান, ২০০২ সালে ভোটার তালিকায় তাঁর বাবার নাম ছিল না। হয়তো সেই কারণে তাঁকে ডাকা হয়েছে। শুনানির নোটিস পেয়েছেন বাবা, দাদা এবং স্ত্রী-ও। তবে বাবা অসুস্থ। তিনি শুনানিকেন্দ্রে যেতে পারেননি।

Howrah SIR West Bengal SIR BLO Enumeration Form SIR hearing
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy