Advertisement
E-Paper

অভিষেকের আপ্তসহায়কের বন্ধুকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গেল পুলিশ, কোন মামলায়? জানে না পরিবার!

স্থানীয় সূত্রে খবর, ধৃতের নাম পলাশ চক্রবর্তী। অভিষেকের আপ্তসহায়ক সুমিতের সঙ্গে তাঁর বিশেষ ঘনিষ্ঠতা রয়েছে। হুগলির ব্যান্ডেলের বাসিন্দা ওই যুবকের সঙ্গে প্রাক্তন যুব তৃণমূল নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়েরও ঘনিষ্ঠতা ছিল।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৬ জুন ২০২৬ ১৮:২৬
Arrest at Bandel

সুমিত রায়ের সঙ্গে পলাশ চক্রবর্তী। ছবি: সংগৃহীত।

জমি মামলায় অভিযুক্ত সুমিত রায়ের খোঁজে পুলিশ। কিন্তু এখনও তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্তসহায়ক সুমিতের সন্ধান মেলেনি। এর মধ়্যে সুমিতেরই এক ঘনিষ্ঠ বন্ধুকে মাঝরাতে আটক করেছে পুলিশ। কিন্তু কী কারণে এবং কোন মামলায় তাঁকে ধরা হয়েছে, সে নিয়ে পরিবারের কাউকে কিছুই বলা হয়নি বলে অভিযোগ।

স্থানীয় সূত্রে খবর, ধৃতের নাম পলাশ চক্রবর্তী। অভিষেকের আপ্তসহায়ক সুমিতের সঙ্গে তাঁর বিশেষ ঘনিষ্ঠতা রয়েছে। হুগলির ব্যান্ডেলের বাসিন্দা ওই যুবকের সঙ্গে প্রাক্তন যুব তৃণমূল নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়েরও ঘনিষ্ঠতা ছিল। শান্তনু বছর তিনেক আগে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন। পলাশ তৃণমূলের সক্রিয় কর্মী। একদা ছাত্র রাজনীতি করেছেন। শ্রীরামপুর কলেজের জেনারেল সেক্রেটারি (জিএস)-ও ছিলেন। টিএমসিপি করার সময়ই শান্তনুর সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ তৈরি হয়।

পলাশের বাবা প্রদীপ চক্রবর্তী জানান, বৃহস্পতিবার রাতে তাঁর পুত্রকে ‘তুলে’ নিয়ে গিয়েছে পুলিশ। তিনি বলেন, ‘‘ছেলে মূল্যবান পাথরের ব্যবসা করে। গতকাল (বৃহস্পতিবার) রাত ১১টার পর পাঁচ পুলিশকর্মী এসে ছেলেকে তুলে নিয়ে যায়।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘কোন থানার পুলিশ, সিআইডি কি না, সে বিষয়ে কিছুই জানি না আমরা।’’ পলাশের প্রতিবেশীরা জানান, বৃহস্পতিবার রাতে একটি সাদা রঙের গাড়িতে পাঁচ জন গিয়েছিলেন পলাশদের বাড়িতে। গাড়ির সামনে ‘পুলিশ’ লেখা ছিল। এর বেশি তাঁরা কিছুই জানেন না। এক প্রতিবেশীর কথায়, ‘‘কার সঙ্গে কী যোগাযোগ ছিল পলাশের, জানি না। গত বছর পাড়ার ক্লাবের দুর্গাপুজো প্রথম বার ‘স্পনসর’ করেছিল পলাশ। কারও সঙ্গে কোনও ঝামেলা ছিল বলে জানা নেই।’’

অন্য দিকে, সুমিতের বিরুদ্ধে তোলাবাজি-সহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে। তাঁর খোঁজে পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনি থানার পুলিশ অভিষেকের বাসভবনে তল্লাশি চালিয়েছিল। তার পর হুগলির শ্রীরামপুরে সুমিতের শ্বশুরবাড়িতেও যায়। কিন্তু দেখা মেলেনি অভিষেকের আপ্তসহায়কের। এর মধ্যে আইনজীবী মারফত আদালত থেকে আগাম জামিনের আবেদন করেছিলেন সুমিত। কিন্তু আদালত তা খারিজ করেছে। সুমিত যাতে বিদেশে যেতে না পারেন, সে জন্য লুকআউট নোটিস জারি হয়েছে।

Crime Police Arrest Bandel

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy