E-Paper

অনুমতি ছাড়া চাষ জমিতে কোপ, জানে না প্রশাসন

হাওড়া গ্রামীণ জেলা পুলিশের এক কর্তা বলেন, ‘‘মাটি কাটার কোনও অভিযোগ লিখিত ভাবে পাইনি। তবে বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখা হবে।’’

সুব্রত জানা

শেষ আপডেট: ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৮:৪২
গাড়িতে চাপিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে মাটি। রাজাপুরে।

গাড়িতে চাপিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে মাটি। রাজাপুরে। নিজস্ব চিত্র।

ভূমি দফতরের অনুমতি ছাড়াই চাষের জমির মাটিতে কোপ পড়ছে অভিযোগ। পাশাপাশি, সেই মাটি গাড়িতে করে নিয়ে যাওয়ার সময় তা রাস্তায় পড়ছে। আর তাতে পিছলে দুর্ঘটনাও ঘটছে প্রায়। এমনই অবস্থা রাজাপুরের বৃন্দাবনপুর, জগন্নাথপুর, জোয়ারগোড়ি এলাকায়। পুলিশ বা ভূমি দফতর কেন ব্যবস্থা নিচ্ছে না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এলাকাবাসী।

বিষয়টি না জানার দাবি ভূমি দফতর ও পুলিশ কর্তাদের। উলুবেড়িয়া ২ ভূমি দফতরের এক আধিকারিক বলেন, ‘‘জমি থেকে মাটি কাটার অনুমতি কাউকে দেওয়া হয়নি। তবে কোথায় মাটি কাটা চলছে, তার খোঁজ নেব।’’

হাওড়া গ্রামীণ জেলা পুলিশের এক কর্তা বলেন, ‘‘মাটি কাটার কোনও অভিযোগ লিখিত ভাবে পাইনি। তবে বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখা হবে।’’

এলাকাবাসী জানান, জগন্নাথপুর থেকে মাটি কেটে শ্মশানতলায় মুম্বই রোডে উঠে এই মাটি চলে যাচ্ছে খলিসানির আশেপাশে। কোথাও ভরাট করা হচ্ছে পুকুর, কোথাও আবার নিচু জমি উঁচু করা হচ্ছে। অভিযোগ, প্রকাশ্যে মাটি বিক্রি চলছে। এছাড়া, একাধিক জায়গায় মাটি কারবারিরা জমি থেকে মাটি কেটে বিভিন্ন জায়গায় চড়া দামে বিক্রি করছে বলেও অভিযোগ।

মুম্বই রোড ও রাজ্য সড়ক ধরে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ছোট তিন চাকা গাড়ি মাটি বোঝাই করে ছুটে চলেছে। এলাকাবাসীর ক্ষোভ, রাস্তায় মাটি পড়ে তা কখনও শুকিয়ে উড়ছে, কখনও আবার মাটির স্তর জমছে। এক প্রৌঢ়ের কথায়, ‘‘দিন কয়েক আগে, বাইক নিয়ে যাওয়ার পথে ওই মাটিতে হড়কে পড়েছি। আরও বড় বিপদ না ঘটলে কারও টনক নড়বে না।’’

দীপক শাসমল নামে স্থানীয় এক ব্যক্তির কথায়, ‘‘মাটি কারবারিরা পুলিশকে মোটা টাকা খাইয়ে বেআইনি ভাবে মাটি কাটছে। তাই নিষেধ করলে উল্টে তারা সাধারণ মানুষকে চোখ রাঙায়।’’

খলিসানির পঞ্চায়েত প্রধান আসুরা বেগম বলেন, ‘‘পঞ্চায়েত মাটি কাটার কোনও অনুমতি দেয়নি, তবে এ বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখব।’’

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Howrah

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy