E-Paper

প্রচারের আড়ালে মদনগোপাল মন্দির

মন্দিরের বর্তমান বৃদ্ধ পুরোহিত জানান, ৬৫১ খ্রিস্টাব্দে স্থানীয় জমিদার পরিবারের মুকুন্দপ্রসাদ রায়চৌধুরী মন্দিরটি নির্মাণ করেছিলেন।

দীপ্যমান সরকার

শেষ আপডেট: ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৮:৪৬
মদনগোপাল জিউয়ের মন্দির।

মদনগোপাল জিউয়ের মন্দির। নিজস্ব চিত্র ।

দেউলটিতে কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বাড়ি দেখতে প্রতি বছরই ভিড় হয় পর্যটকদের। অথচ, এখান থেকে ঢিল ছোড়া দূরত্বে আড়ালেই রয়ে গিয়েছে ৮০০ বছরের মদনগোপাল জিউ মন্দির। দেউলটির সামতাবেড়িয়া মেল্লক গ্রামের এই মন্দির স্থানীয় ভাবে গোপালের মন্দির নামে পরিচিত। ৩৪ ফুট দীর্ঘ, প্রস্থে ২৮ ফুট ও ৪৫ ফুট উচ্চতার এই আটচালা মন্দিরটি ১৯৫৭ সালে ‘রাজ্য রক্ষিত পুরাকীর্তি’ বলে সরকারি তরফে ঘোষণাও হয়েছে।

মন্দিরের বর্তমান বৃদ্ধ পুরোহিত জানান, ৬৫১ খ্রিস্টাব্দে স্থানীয় জমিদার পরিবারের মুকুন্দপ্রসাদ রায়চৌধুরী মন্দিরটি নির্মাণ করেছিলেন। রাধা ও মদনগোপালের পোড়ামাটির মূর্তি পূজিত হচ্ছে যুগ যুগ ধরে। এ ছাড়াও, রয়েছে প্রাচীন যুগের একটি বিষ্ণু মূর্তি। সেটি পাল যুগের বলে উল্লেখ রয়েছে তারাপদ সাঁতরার ‘হাওড়া জেলার পুরাকীর্তি’ বইয়ে।

পূজারীর আক্ষেপ, ‘‘মন্দিরটির গায়ে ছিল সূক্ষ্ম টেরাকোটার কাজ। রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে তার বেশির ভাগই নষ্ট হয়ে গিয়েছে।’’ তবে ২০১৯-২০ খ্রিস্টাব্দে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ ও পূর্ত দফতরের উদ্যোগে এই মন্দিরটিকে সারানো হয়েছে। এলাকার বিধায়ক সুকান্ত পাল বলেন, ‘‘এত গৌরবের এই মন্দির নিয়ে অনেকেই জানেন না। বিষয়টিতে পর্যটন বিভাগ গুরুত্ব দিলে ভাল হয়।’’

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Deulti

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy