এসআইআর নিয়ে শুনানিতে ডাক পেয়েছেন তিন পুত্র এবং দুই কন্যা। বৃহস্পতিবার সকালে যখন পুত্র-কন্যারা বিডিও অফিসে শুনানির জন্য যাচ্ছিলেন, সেই সময় ঘরে মারা যান বাবা। পরিবারের অভিযোগ, এসআইআর নিয়ে উদ্বেগেই ৬২ বছরের শেখ আজাদ আলির মৃত্যু হয়েছে।
পাঁচলার বিকিহাকোলা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দা আজাদ। পেশায় জরি শিল্পী আজাদ আলীর তিন পুত্র এবং ছয় কন্যা। দিন তিনেক আগে বাড়িতে নির্বাচন কমিশন তাঁর পাঁচ সন্তানের নামে শুনানির নোটিস পাঠায়। তালিকায় আজাদ এবং তাঁর স্ত্রীর নাম ছিল বলে অভিযোগ।
আরও পড়ুন:
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, নোটিস পেয়ে আজাদ উদ্বিগ্ন হন। বৃহস্পতিবার সকালে পাঁচলার পানিয়ারায় বিডিও অফিসে যখন পুত্র-কন্যারা শুনানির জন্য যাচ্ছিলেন, তখন খবর পান বৃদ্ধ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাঁরা বাড়ি ফিরে দেখেন, তাঁদের বাবা মারা গিয়েছেন। এই মৃত্যুর জন্য ওই পরিবার সরাসরি নির্বাচন কমিশন এবং কেন্দ্রীয় সরকারকে দায়ী করেছে। জানা গেছে, ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় শেখ আজাদের নামে ভুল ছিল। পরিবারের দাবি, তাঁর সন্তানের সংখ্যা ছয় জনের বেশি বলে তাঁদের শুনানিতে ডাকা হয়েছিল।