জোটে না গিয়ে গিয়ে বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেস এ বার ‘একলা চলো’ নীতি নিয়েছে। রাজ্যের ২৯৪টি আসনেই তারা আলাদা ভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে বলে স্থির করেছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে দলের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে বলে রাজ্যের অনেক নেতাই দাবি করছিলেন। বুধবার এআইসিসি পর্যবেক্ষক প্রকাশ জোশীও দলের শহর কংগ্রেস কার্যালয়ে দলীয় নেতা-ও কর্মীদের সঙ্গে সাংগঠনিক বৈঠক করতে এসে একই দাবি করলেন।
প্রকাশ বলেন, ‘‘জোটের কারণে বহু বছর ধরে দলের জন্য কাজ করা অনেক নেতাই অনেক সুযোগ পেতেন না। এখন সেই পরিস্থিতি বদলাচ্ছে এবং পুরনো ও অসন্তুষ্ট কংগ্রেস কর্মীরাও ধীরে ধীরে সক্রিয় হচ্ছেন।’’ একইসঙ্গে ওই কংগ্রেস পর্যবেক্ষক মেনে নেন, ‘‘কিছু কারণে সংগঠনে বিভাজন তৈরি হয়েছিল। তবে, এখন দলের ঊর্ধ্বতন নেতৃত্ব সেই বিভাজন দূর করে সংগঠনকে শক্তিশালী করার কাজ করছেন। এ রাজ্যেও সংগঠনে পরিবর্তন এনে দলকে আরও মজবুত করার চেষ্টা চলছে।’’ তাঁর দাবি, ‘‘এ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের ফল আগের তুলনায় ভাল হবে।’’
এ দিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেসের হুগলি ১ ও ২ সাংগঠনিক জেলা সভাপতি যথাক্রমে সুব্রত মুখোপাধ্যায় ও ভবানীপ্রসাদ মণ্ডল। ছিলেন প্রদেশ কংগ্রেসের অন্যতম সম্পাদক সুজিত মুখোপাধ্যায়ও। বৈঠকের পর প্রকাশ জেলার ১৮টি বিধানসভা কেন্দ্রের নেতাদের সঙ্গে কথা বলেন।
বিজেপির শ্রীরামপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি সুমন ঘোষের দাবি, ‘‘কংগ্রেস দিবাস্বপ্ন দেখছে। এ রাজ্যে কংগ্রেস অনেক দিন আগেই সাইন বোর্ডে পরিণত হয়েছে।’’ প্রায় একই সুরে তৃণমূলের হুগলি-শ্রীরামপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতিঅরিন্দম গুঁইন বলেন, ‘‘কংগ্রেস শূন্যতেই থাকবে।’’
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)