বাড়ি থেকে বছর ষাটের এক বৃদ্ধার পচাগলা এবং বিবস্ত্র দেহ উদ্ধার ঘিরে শোরগোল হাওড়ার জগৎবল্লভপুর থানা এলাকায়। স্থানীয়দের অভিযোগ, ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে বৃদ্ধাকে। তার পর জিনিসপত্রও লুট হয়েছে। যদিও পুলিশ ধর্ষণের অভিযোগ নিয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া দেয়নি।
শুক্রবার বৃদ্ধার বাড়িতে ঢুকে তাঁর দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। সাঁড়াশি ঢুকিয়ে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। জানা গিয়েছে, বাড়িতে একা থাকতেন বৃদ্ধা। খুন করার পর বাড়ির বাইরে থেকে তালা দিয়ে পালিয়ে যান আততায়ীরা।
প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, বৃদ্ধার স্বামী মারা গিয়েছেন অনেক দিন আগে। পুত্র কর্মসূত্রে বিদেশে থাকেন। মেয়ের বিয়ে হয়ে গিয়েছে। তিনিও শ্বশুরবাড়িতে থাকতেন। দিন চারেক হল বৃদ্ধার সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করতে পারেননি আত্মীয়েরা। শুক্রবার স্থানীয় কয়েক জনকে খবর দেওয়া হয়। তাঁরা বাড়ির বাইরে গিয়ে দেখেন দরজায় তালা দেওয়া। কিন্তু বাড়ির ভিতর থেকে তীব্র দুর্গন্ধ ভেসে আসছে। কৌতূহলে জানলা দিয়ে মুখ বাড়ান কয়েক জন। তখন ঘরের মেঝেতে বৃদ্ধার বিবস্ত্র দেহ পড়ে থাকতে দেখেন তাঁরা।
আরও পড়ুন:
জগৎবল্লভপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। তারা দরজা ভেঙে বৃদ্ধার দেহ উদ্ধার করেছে। দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে হাসপাতালে। হাওড়া গ্রামীণের পুলিশ সুপার সুবিমল পাল বলেন, ‘‘খুনের মামলা শুরু হয়েছে। দেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। অপরাধীর সন্ধানে তল্লাশি চলছে।’’ তদন্তের স্বার্থে এর চেয়ে বেশি কিছু বলতে রাজি হননি তিনি।