E-Paper

বাড়িতে ভোটগ্রহণ, স্বস্তি ভোটারদের

আমতা ২ ব্লক প্রশাসন সূত্রের খবর, শুক্রবার পারবাকসিতে চিরনবীন স্বংস্থা পরিচালিত হোমে ৪০ জন মূক-বধির ও মানসিক বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ভোটারের ভোট নেওয়া হয়।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৮ এপ্রিল ২০২৬ ০৯:৫৮
—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

৮৫ বছরের বেশি বয়সি এবং বিশেষ ভাবে সক্ষমদের বাড়িতে গিয়ে ভোটগ্রহণ শুরু হল হাওড়া ও হুগলিতে। শুক্রবার সংশ্লিষ্ট ভোটারদের বাড়িতে যান বিধানসভা কেন্দ্রের নির্বাচনী আধিকারিকেরা। সঙ্গে ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনী।

হাওড়া জেলা প্রশাসন সূত্রের খবর, ১৬টি বিধানসভায় ৮৫-ঊর্ধ্ব ভোটার ৫৯৪০ জন। শারীরিক ও মানসিক চাহিদাম্পন্ন ভোটার ১২৬২ জন। সবচেয়ে বেশি ৮৫-ঊর্ধ্ব ভোটার (৫০৮ জন) হাওড়া দক্ষিণ বিধানসভায়। সবচেয়ে কম (১৬১ জন) সাঁকরাইলে। সবচেয়ে বেশি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ভোটার আমতায়। তাঁদের সংখ্যা ২২৭। সবচেয়ে কম (তিন জন) বালিতে। বাড়ি বাড়ি ভোটগ্রহণ চলবে আগামী সোমবার পর্যন্ত।

আমতা ২ ব্লক প্রশাসন সূত্রের খবর, শুক্রবার পারবাকসিতে চিরনবীন স্বংস্থা পরিচালিত হোমে ৪০ জন মূক-বধির ও মানসিক বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ভোটারের ভোট নেওয়া হয়। আজ, শনিবার বাকিদের নেওয়া হবে। সংস্থার সম্পাদক তন্ময় সাউ বলেন, ‘‘ভোটগ্রহণের সময় নিয়ম মেনে আমাদের সংস্থার কর্মীরা সহায়তা করেছেন।’’ হাওড়ায় মোট কত জনের ভোট এ দিন নেওয়া হল, জেলা প্রশাসনের কর্তারা জানাতে পারেননি।

হুগলির জেলাশাসক খুরশিদ আলি কাদরি জানান, বাড়িতে ১০ হাজার ৬২৪ জনের ভোট নেওয়া হবে। রবিবারের মধ্যে শেষ করার চেষ্টা করা হবে। বাকি থাকলে পরের দু’দিন ভোট নেওয়া হবে। প্রথম দিন প্রায় ৩ হাজার জন ভোট দিয়েছেন। জেলা নির্বাচন দফতর সূত্রে খবর, বাড়িতে ভোট নেওয়ার ক্ষেত্রে ৮৫ বছরের ঊর্ধ্বে চিহ্নিত হয়েছেন ৮৭৮০ জন, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন (৪০% বা তার বেশি প্রতিবন্ধকতাযুক্ত) ১৮৪৪ জন।

ভোট দিয়ে আরমবাগের শহরের বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন বছর কুড়ির যুবক শুভজিৎ আঢ্য বলেন, ‘‘খুব ভাল লাগছে। আমাকে ব্যালট পেপার এবং ব্যালট বাক্স দিয়ে আধিকারিকেরা ঘর বন্ধ করে বাইরে ছিলেন।’’ বলাগড় বিধানসভায় ৫১০ জনের ভোট বাড়িতে নেওয়ার কথা। প্রশাসন সূত্রের খবর, এ দিন দেড়শোর বেশি ভোটারের ভোট নেওয়া হয়েছে। ১০০ পেরনো দু’জন ভোট দিয়েছেন। জিরাট কলেজপাড়ার ১০৪ বছরের মহেন্দ্র হালদার ভোট দেন। ৭১ বছরের বিকাশ সরকার বলেন, ‘‘দুর্ঘটনায় চোখের দৃষ্টি হারিয়েছি। সে ভাবে চলাফেরা করতে পারিনা। বাড়িতে ভোট নেওয়ায় ভালই হল।’’ শ্রীরামপুরের মাহেশে ৯৭ বছরের গীতা পাল হাঁটাচলা করতে পারেন না। তাঁর ভোটও বাড়িতে এসে নিলেন ভোটকর্মীরা।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Uluberia Chinsurah Senior citizen

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy