Advertisement
E-Paper

ফের চোলাই ঠেকে হানা মহিলাদের, সঙ্গে বিধায়কও

মহিলারা থেমে যাননি। শুক্রবার ফের পথে নামলেন। এ বার পাশে পেলেন পুলিশ, পঞ্চায়েত প্রধান এবং বিধায়ককেও।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ৩০ ডিসেম্বর ২০২৩ ১০:০৭
রাজাপুর থানা এলাকায় তুলসীবেড়িয়া গ্রামে চোলাইয়ের ঠেক তুলতে নির্মল মাজি।

রাজাপুর থানা এলাকায় তুলসীবেড়িয়া গ্রামে চোলাইয়ের ঠেক তুলতে নির্মল মাজি।

এলাকায় চোলাই মদের ঠেক ভাঙতে কো‌মর বেঁধেছেন উলুবেড়িয়ার রাজাপুর থানা এলাকার তুলসীবেড়িয়া গ্রামের মহিলারা। গত ক’দিন ধরেই অভিযান চালাচ্ছিলেন তাঁরা। বুধবার অভিযানের মাঝে পুলিশ গিয়ে সক্রিয় হওয়ার আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি সামলায়। তবে, মহিলারা থেমে যাননি। শুক্রবার ফের পথে নামলেন। এ বার পাশে পেলেন পুলিশ, পঞ্চায়েত প্রধান এবং বিধায়ককেও।

এ দিন বেলা বারোটা নাগাদ ওই গ্রামে হাজির হন উলুবেড়িয়া উত্তর কেন্দ্রের বিধায়ক নির্মল মাজি, পঞ্চায়েত প্রধান মহম্মদ মহসিন ও উলুবেড়িয়া ২ পঞ্চায়েত সমিতির প্রাক্তন সভাপতি শেখ ইলিয়াস। সঙ্গে পুলিশ বাহিনী। তাঁরাও মহিলাদের সঙ্গে ঠেক ভাঙতে লেগে পড়েন।

বিধায়ক বলেন, “আগেই বলেছিলাম, এলাকা থেকে চোলাই মদের ঠেক তুলতে হবে। নয়তো মহিলাদের সঙ্গে আমিও আন্দোলনে নামব। পুলিশ একাধিকবার ঠেক ভেঙেছে, গ্রেফতারও করেছে। কিন্তু কারবারিরা প্রত্যেকেই আদালতে জামিন পেয়ে যাচ্ছে। ফের চোলাই ব্যবসায় নেমে পড়ছে। কিছু আইনজীবী আছেন, যাঁরা চোলাই বিক্রেতাদের হয়ে সওয়াল করছেন।”

হাওড়া গ্রামীণ জেলা পুলিশের এক কর্তা বলেন, “এই এলাকায় প্রতিদিন নজরদারি চলে। তারমধ্যেও লুকিয়ে চোলাই বিক্রি হয়। এ বার আরও বেশি নজরদারিচালানো হবে।”

মহিলাদের অভিযোগ, পুরুষেরা নেশা করে বাড়ি ফিরে অত্যাচার করেন। রোজগারের বেশিরভাগটাই ফুরিয়ে যায় চোলাইয়ে। গ্রামের কিশোর, যুবকেরাও আসক্ত হয়ে পড়ছে। নেশা করে অশান্তি করছে। বহুবার পুলিশ ও আবগারি দফতরকে জানানো হয়েছে। কোনও লাভ হয়নি। তাই গ্রামের পরিবেশ সুস্থ রাখতে মহিলা সমিতি তৈরি করে নিজেরাই অভিযান চালানো হচ্ছে। রাতপাহারাও দিচ্ছেন তাঁরা।

Uluberia
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy