তিনটি পৃথক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল এক বালকের। জখম হয়েছে ২০ জন। তিনটি দুর্ঘটনাই ঘটেছে শনিবার বিভিন্ন সময়ে। মৃতের নাম দীপঙ্কর দাস (৭)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, চিকোনবাড়ের বাসিন্দা ওই বালকের পরিবার ও আর একটি পরিবারের মোট জনা দশেক লোক রান্নাপুজোর অনুষ্ঠানে খেতে যাচ্ছিল শ্রীরামপুরের পালোড়া এলাকায়। বাড়ির কাছেই পরিচিত স্থানীয় এক পিকআপ ভ্যানের চালককে বলে, পালোড়ায় পৌঁছে দিতে। পিকআপ ভ্যানটি তারা ১০০ টাকায় ভাড়াও করে। প্রাথমিক তদন্তের পরে পুলিশ জানিয়েছে, উলুবেড়িয়ার জয়নগরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে একটি গাছে ধাক্কা মারলে গাড়িটি উল্টে যায়। স্থানীয়রা এসে উদ্ধার করে তাদের উলুবেড়িয়া মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকরা দীপঙ্করকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
এ দিন সকাল ১০টা নাগাদ উলুবেড়িয়ার নিমদিঘির কাছে মুম্বই রোড়ে দুর্ঘটনায় আহত হলেন বাঁকুড়া জেলা তৃণমূলের তফসিলি জাতি উপজাতি সেলের সভাপতি গৌর টুডু। তিনি বাঁকুড়া জেলা পরিষদের সহ-সভাপতির বিভাবতী টুডুর স্বামী। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, একটি গাড়িতে করে গৌরবাবুরা বাঁকুড়া থেকে কলকাতায় যাচ্ছিলেন। সঙ্গে ছিল তাঁর বাড়ির দুই কিশোরী। গাড়ি চালাচ্ছিলেন গৌরবাবুর ভাইপো দীপক টুডু। গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে উল্টে যায়। পুলিশ জানায়, সকলেই চোট পান। তবে তাঁর নিরাপত্তা রক্ষী বিজয় দাসের বুকে রড ঢুকে যায়। বিজয়বাবুকে উলুবেড়িয়া মহকুমা হাসপাতাল থেকে কলকাতায় স্থানান্তরিত করা হয়। বাকিদেরও উলুবেড়িয়া ইএসআই হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসার পরে কলকাতায় পাঠানো হয়। গৌরবাবুর দুই ভাইঝি সুস্থ আছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। এ দিকে, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে কলকাতায় রওনা হয়েছেন বিভাবতীদেবী।
অন্য দিকে, আমতা-রানিহাটি রোডের গুজারপুর ছোট পোলের কাছে বাস ও লরির মুখোমুখি ধাক্কায় আহত হলেন বাস চালক-সহ আট জন। আমতা-নিউটাউন রুটের বাসটি নিউটাউন যাচ্ছিল। ছোট পোলের কাছে হঠাৎই রানিহাটির দিক থেকে আসা একটি লরি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। বাসের সঙ্গে মুখোমুখি ধাক্কা লাগে। বাসের চালক ও অন্য সাত জনকে উদ্ধার করে আমতা গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যায়। বাসের চালক হাসপাতালে ভর্তি। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।