Advertisement
E-Paper

দাম না-মেলায় চিন্তায় টোম্যাটো চাষিরা

গত বছরের মতো এ বারও খেত ভরেছে টোম্যাটোয়। তাতেই কপালের ভাঁজ চওড়া হচ্ছে হুগলির টোম্যাটো চাষিদের। কারণ, সে ভাবে দাম মিলছে না। হুগলিতে পোলবা, সিঙ্গুর, হরিপাল, ধনেখালি এবং চুঁচুড়া-মগরা ব্লকের কিছু জায়গায় টোম্যাটো চাষ হয়। চলতি বছরের গোড়ায় জেলায় প্রায় ২২টন টোম্যাটো উঠেছে বলে জানিয়েছে জেলা উদ্যানপালন বিভাগ।

তাপস ঘোষ

শেষ আপডেট: ১০ এপ্রিল ২০১৭ ০১:২৯
ফলন: বাজারের পথ চেয়ে। পোলবায় নিজস্ব চিত্র

ফলন: বাজারের পথ চেয়ে। পোলবায় নিজস্ব চিত্র

গত বছরের মতো এ বারও খেত ভরেছে টোম্যাটোয়। তাতেই কপালের ভাঁজ চওড়া হচ্ছে হুগলির টোম্যাটো চাষিদের। কারণ, সে ভাবে দাম মিলছে না।

হুগলিতে পোলবা, সিঙ্গুর, হরিপাল, ধনেখালি এবং চুঁচুড়া-মগরা ব্লকের কিছু জায়গায় টোম্যাটো চাষ হয়। চলতি বছরের গোড়ায় জেলায় প্রায় ২২টন টোম্যাটো উঠেছে বলে জানিয়েছে জেলা উদ্যানপালন বিভাগ। কিন্তু তার পরেও এখনও বহু খেতে পড়ে থেকেই টোম্যাটো নষ্ট হচ্ছে বলে চাষিদের অভিযোগ।

জেলার অনেক চাষিই জানিয়েছেন, অনুকূল আবহাওয়ার কারণেই এ বার টোম্যাটোর অধিক ফলন হয়েছে। ঠিক গত বছরের মতো। গত বছরের শেষ দিকে দাম না-মেলায় অনেক জায়গায় টোম্যাটো নষ্ট হয়। মহেশ্বরপুরে দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়েতে টোম্যাটো ছড়িয়ে প্রতিবাদ করেছিলেন চাষিরা। এ বারও পরিস্থিতি সে দিকেই যাচ্ছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন চাষিরা। তাঁরা জানান, এক বিঘা জমিতে টোম্যাটো চাষ করতে ২০-২৫ হাজার টাকা খরচ হয়। প্রায় ২৫ কুইন্ট্যাল ফলন হয়। প্রথম দিকে খেত থেকে এক টাকা কেজি দরে টোম্যাটো বিক্রি করতে হয়েছে। কিন্তু এখন মহাজনেরা তা-ও কিনতে চাইছেন না। বাজারে টোম্যাটো বিকোচ্ছে ৬-৭ টাকা কেজি দরে।

Advertisement

জেলা উদ্যানপালন বিভাগের অধিকর্তা মানস ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘এ ধরনের ক্ষতির অভিযোগ কোনও চাষি এখনও পর্যন্ত আমাদের দফতরে জানাননি। তবে, অধিকাংশ খেতের টোম্যাটো বাজারে চলে গিয়েছে। এখন শেষের ফসল জমিতে থাকতে পারে।’’

পোলবার চাষি শ্যামাপদ কাঁড়ার বলেন, ‘‘সার, কীটনাশক দিয়ে টোন্যাটো চাষের খরচ প্রতি বছর যে ভাবে বাড়ছে, সেই তুলনায় দাম মিলছে না। সরকার এ ব্যাপারে নজর দিচ্ছে না। এমন অবস্থা টানা চললে আগামীদিনে টোম্যাটো চাষ বন্ধ করে দিতে হবে।’’ যাবে।’’ একই কথা জানালেন ওই এলাকার আরও এক চাষি।

বস্তুত, বেশির ভাগ চাষিই তাঁদের জমির একাংশে টোম্যাটো চাষ করেন। পাঁচ মাস পর থেকেই ফসল ওঠে। জমির বাকি অংশে তাঁরা আলু বা ধান চাষ করেন। চাষিদের ক্ষোভ, আলুর দাম বাড়লে প্রচুর হইচই হয়। সরকার হস্তক্ষেপ করে। কিন্তু টোম্যাটোর দাম না মিললে কোনও পদক্ষেপ হয় না।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy