সিপিএমের এক পঞ্চায়েত সদস্যাকে মারধর এবং তাঁর বাড়িতে ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে। ওই মহিলা কে বাঁচাতে গিয়ে তাঁর ছেলে এবং প্রতিবেশীরাও মার খান বলে অভিযোগ। বৃহস্পতিবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে হুগলির গুড়াপের খড়ুয়া গ্রামে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রহৃত সবিতা মাহাতো গু়ড়াপের গুড়বাড়ি ২ পঞ্চায়েতের সিপিএম সদস্য। এ দিন সকাল সাড়ে ৯টা নাগাদ তাঁর বাড়িতে জনা দশেক যুবক হানা দেয়। অভিযোগ, হামলাকারীরা সকলেই তৃণমূলের লোক। সবিতাদেবীকে তারা ঘর থেকে টেনে বের করে বেধড়ক মারধর করে। ঘরে অবাধে ভাঙচুর চালায়। সবিতাদেবীকে বাঁচাতে এলে তাঁর ছেলে শুকদেবকে লোহার রড, বাঁশ দিয়ে তাঁকে পেটানো হয় বলে অভিযোগ। প্রতিবেশীদেরও রেয়াত করা হয়নি। আধঘণ্টা ধরে তাণ্ডব চালিয়ে হামলাকারীরা পালায়।
সিপিএম নেতৃত্বের অভিযোগ, স্থানীয় লোকজন প্রহৃত মা-ছেলেকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে গেলে হামলাকারীরা তাদের বাধা দেয়। খবর দেওয়া হলেও পুলিশ সময়মতো আসেনি। শেষে সবিতাদেবী থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তিনি বলেন, ‘‘এলাকা দখলের জন্যই তৃণমূলের লোকেরা হামলা চালিয়েছে। ওরা হুমকি দেয়, সিপিএম করলে প্রাণে মেরে ফেলবে।’’ সিপিএমের গুড়বাড়ি জোনাল কমিটির সদস্য শক্তিপদ দাস বলেন, ‘‘এ ভাবে ভয় দেখিয়ে আমাদের দমানো যাবে না।’’
এলাকার বিধায়ক ও তৃণমূল নেত্রী অসীমা পাত্র বলেন, ‘‘ওই ঘটনায় কোনও রাজনীতি নেই। পারিবারিক বিবাদের ঘটনাকে রঙ চড়িয়ে আমাদের দলের নামে কুৎসা করছে ওরা।’’ জেলা পুলিশের অফিসারদের দাবি, খবর পাওয়ার পরেই পুলিশ ওই গ্রামে যায়। তদন্ত চলছে।