শহরের রাস্তায় যানজট কমাতে বেলজিয়ামের অ্যান্টওয়ার্প বন্দরের ধাঁচে হুগলি নদীর তলদেশে সুড়ঙ্গ তৈরিতে উদ্যোগী হয়েছেন কলকাতা বন্দর কর্তৃপক্ষ। এই পরিকল্পনার আওতায় বন্দর থেকে সাঁকরাইল পর্যন্ত ১৬ কিলোমিটার পথ তৈরি হওয়ার কথা। যার মধ্যে প্রায় আট কিলোমিটার সুড়ঙ্গপথ, বাকি সড়কপথ। প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ মন্ত্রকে পাঠানো হয়েছে। তা মন্ত্রকের বিবেচনাধীন রয়েছে বলে শুক্রবার জানান জাহাজ দফতরের রাষ্ট্রমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর।
এ দিন ই এম বাইপাস সংলগ্ন একটি হোটেলে নাবিকদের সামাজিক কল্যাণ বিষয়ে এক আলোচনাসভা হয়। সেখানে দূর নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থায় পটনায় মার্কেন্টাইল মেরিন ডিপার্টমেন্টের দফতর উদ্বোধন ছাড়াও কলকাতায় নাবিক গৃহ সমিতি এবং মেরিন ক্লাবের পুনর্গঠন কাজের সূচনা হয়। প্রসঙ্গত, দেশীয় ও বিদেশি জাহাজে কাজ করতে গিয়ে নাবিকদের বিভিন্ন প্রতিকূল পরিস্থিতিতে পড়তে হয়। তাঁদের আইনি সহায়তা দেওয়া ছাড়াও বিভিন্ন দাবি আদায়ের পথ কী ভাবে প্রশস্ত করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা হয় সভায়।
অন্য দিকে, কলকাতা বন্দরের ইতিহাসে এই প্রথম রাতে বন্দরে জাহাজ পৌঁছল। পণ্য পরিবহণ বাড়াতে দীর্ঘ দিন ধরে রাতেও জাহাজ আনার চেষ্টা চালাচ্ছিলেন কর্তৃপক্ষ। ডায়মন্ড হারবার থেকে কলকাতা বন্দর পর্যন্ত নদীপথ বেশ সঙ্কীর্ণ। নদী ঘন ঘন খাত বদল করে ওই অংশে। চোরা স্রোতও থাকে। ওই পথে দিনের বেলায় টাগ বোট ব্যবহার করে বড় জাহাজ নিয়ে আসা হত। এই প্রথম রাতে তা করে দেখাল বন্দর। সিনার পাঙ্গকালানসুসু নামে ইন্দোনেশিয়ার একটি জাহাজকে সম্প্রতি বন্দরে নিয়ে যাওয়া হয়। এর আগে ২০২৫ সালে ডক থেকে প্রথম রাতে জাহাজ বার করা হয়েছিল।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)