E-Paper

লক্ষাধিক টাকা প্রতারণা বিনিয়োগের নামে, একাধিক অভিযোগ

শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করে অল্প সময়ে মোটা টাকা আয়ের প্রলোভন দেখানো হয়। এর পরে তাঁকে একটি ওয়টস্যাপ গ্রুপে যুক্ত করানো হয়।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৫ জানুয়ারি ২০২৬ ১০:২১
—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

শেয়ার বাজারে বিনিয়োগের নামে প্রায় ৩৭ লক্ষ টাকা প্রতারণার অভিযোগে আনন্দপুর থানার দ্বারস্থ হলেন এক প্রৌঢ়। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে একটি সাইবার প্রতারণার মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। অন্য দিকে, হেস্টিংস থানা এলাকাতেও একই ভাবে অতিরিক্ত লাভের আশায় বিনিয়োগ করে প্রায় ১৪ লক্ষ টাকা প্রতারণার শিকার হয়েছেন এক ব্যক্তি। শনিবার তিনি হেস্টিংস থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

পুলিশ সূত্রের খবর, আনন্দপুর থানা এলাকার একটি বহুতলের বাসিন্দা, বছর পঁয়ষট্টির ওই অভিযোগকারী প্রৌঢ় অভিযোগে জানিয়েছেন, মাসকয়েক আগে তাঁর মোবাইলে একটি ফোন আসে। তাঁর অভিযোগ, শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করে অল্প সময়ে মোটা টাকা আয়ের প্রলোভন দেখানো হয়। এর পরে তাঁকে একটি ওয়টস্যাপ গ্রুপে যুক্ত করানো হয়। তিনি পুলিশকে জানিয়েছেন, প্রাথমিক ভাবে ওই গ্রুপে প্রায় ৪০০ জন সদস্য ছিলেন। কোথায় বিনিয়োগ করলে মোটা টাকা লাভ হতে পারে, তা নিয়েই মূলত ওই গ্রুপে পরামর্শ দেওয়া হত। এর পরে সেই গ্রুপের সূত্রে পরবর্তীতে তিনি আরও একটি ছোট গ্রুপে যুক্ত হন। ধাপে ধাপে প্রায় ৩৭ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করেন তিনি। কিন্তু পরে সেই টাকা তুলতে না পেরে প্রতারণার শিকার হয়েছেন বলে বুঝতে পারেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নভেম্বরের শেষ সপ্তাহ থেকে ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে ওই টাকা তিনি বিনিয়োগ করেছিলেন। আটটি ধাপে এই টাকা দেওয়া হয়। প্রতারণার শিকার হয়েছেন বুঝে পরে তিনি পুলিশে দ্বারস্থ হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। আনন্দপুর থানার পুলিশ এবং ডিভিশনের সাইবার শাখা গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। শনিবারই একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। এর পিছনে কোনও চক্র আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

অপর দিকে, এ জে সি বসু রোডের বাসিন্দা, বছর চল্লিশের এক ব্যক্তির অভিযোগ, গত অক্টোবর মাসে সমাজমাধ্যমে একটি বিজ্ঞাপন দেখে তিনি ওয়টস্যাপ গ্রুপে যুক্ত হন। অভিযোগ, শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ করে সেখানে প্রতিদিন বিনিয়োগের ১০ শতাংশ লাভের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। এর ফলে তিনি ধাপে ধাপে প্রায় ১৪ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করেন। ন’দফায় তিনি ওই টাকা বিনিয়োগ করেন। যদিও পরে তিনি কোনও লাভ না পেয়ে প্রতারণার শিকার হয়েছেন বলে বুঝতে পারেন। পরে প্রতারকেরাও তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। এর পরেই তিনি পুলিশের কাছে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন এবং হেস্টিংস থানায় যান। তাঁর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু করেছে পুলিশ।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

anandapur police station

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy