E-Paper

ভোটের অজুহাত শুনব না, জলাভূমি পুনরুদ্ধার নিয়ে তোপ কোর্টের

এ দিন মামলাকারীর আইনজীবী সুদীপ্ত দাশগুপ্ত জানান, স্বরাষ্ট্র এবং পরিবেশ মন্ত্রককে যুক্ত করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, সুপ্রিম কোর্টের একাধিক নির্দেশে বলা হয়েছে, জলাভূমির উপরে বেআইনি নির্মাণ ভাঙার ক্ষেত্রে নোটিস দেওয়া ও সাধারণ পদ্ধতিগত নিয়ম মানার প্রয়োজন নেই।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৮ মার্চ ২০২৬ ০৯:৪৩
কলকাতা হাই কোর্ট।

কলকাতা হাই কোর্ট। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

পূর্ব কলকাতা জলাভূমি পুনরুদ্ধারে রাজ্যকে কী ভাবে সহযোগিতা করতে পারে কেন্দ্র, তা জানতে চাইল কলকাতা হাই কোর্ট। মঙ্গলবার বিচারপতি অমৃতা সিংহের নির্দেশ, জলাভূমিতে গজিয়ে ওঠা অসংখ্য বেআইনি নির্মাণ ভাঙার ক্ষেত্রে পরিকাঠামোগত খামতির কথা একাধিক বার স্বীকার করেছেন পূর্ব কলকাতা জলাভূমি কর্তৃপক্ষ, কলকাতা পুরসভা এবং জলাভূমি সংলগ্ন পঞ্চায়েত। তাই কী পদ্ধতিতে সংশ্লিষ্ট বেআইনি নির্মাণ ভেঙে জলাভূমি পুনরুদ্ধার করা যেতে পারে, তা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক এবং পরিবেশ মন্ত্রককে কোর্টে জানাতে হবে। ৭ এপ্রিলের মধ্যে কেন্দ্রকে এই তথ্য হলফনামা আকারে দিতে হবে।

এর আগে এই মামলায় কেন্দ্রকে যুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছিল কোর্ট। এ দিন মামলাকারীর আইনজীবী সুদীপ্ত দাশগুপ্ত জানান, স্বরাষ্ট্র এবং পরিবেশ মন্ত্রককে যুক্ত করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, সুপ্রিম কোর্টের একাধিক নির্দেশে বলা হয়েছে, জলাভূমির উপরে বেআইনি নির্মাণ ভাঙার ক্ষেত্রে নোটিস দেওয়া ও সাধারণ পদ্ধতিগত নিয়ম মানার প্রয়োজন নেই। বেআইনি নির্মাণ চিহ্নিত হলেই আইন অনুযায়ী তা ভাঙা যাবে।

বিচারপতি সিংহের পর্যবেক্ষণ, জলাভূমি সংক্রান্ত আইনেই নোটিস দিয়ে শুনানির সুযোগ দেওয়ার নিয়ম আছে। সেই নিয়মেই আটকে আছেন জলাভূমি কর্তৃপক্ষ। ৫০৫টি বেআইনি নির্মাণ চিহ্নিত হলেও সেগুলি ভাঙার জন্য কার্যকরী পদক্ষেপ করা হয়নি। তিনি বলেন, ‘‘২০২৩ থেকে মামলা চলছে। জলাভূমিতে তৈরি অবৈধ নির্মাণ ভাঙার কাজে অগ্রগতি দেখতে চাই। নির্বাচনের অজুহাত দেবেন না।’’

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Calcutta High Court Wetlands

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy