কলকাতায় চলে এলেন ইডির ডিরেক্টর রাহুল নবীন। তিন দিনের সফরে শহরে এসেছেন তিনি। শুক্রবারই সিজিও কমপ্লেক্সের দফতরে রাজ্যের ইডি কর্তাদের সঙ্গে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করবেন। আইপ্যাক নিয়ে রাজ্য সরকারের সঙ্গে ইডির সংঘাতের আবহেই কেন্দ্রীয় সংস্থার ডিরেক্টরের এই কলকাতা সফরকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
ইডি সূত্রে খবর, শুক্রবারের বৈঠকে সংস্থার কর্তাদের থাকতে বলা হয়েছে। কলকাতায় যে সমস্ত ‘হাই প্রোফাইল’ মামলা ইডির তদন্তের আওতায় রয়েছে, তা নিয়ে আধিকারিকদের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করতে পারেন রাহুল। কোন মামলার কী অবস্থা, তদন্ত কত দূর এগিয়েছে, তার রিপোর্ট ডিরেক্টরকে দেওয়া হতে পারে। উঠতে পারে আইপ্যাক-কাণ্ডের প্রসঙ্গও।
আরও পড়ুন:
গত ৮ জানুয়ারি কলকাতার দু’টি জায়গায় হানা দিয়েছিল ইডি। তৃণমূল এবং রাজ্য সরকারের পরামর্শদাতা সংস্থা আইপ্যাকের সল্টলেকের দফতর এবং সংস্থার কর্ণধার প্রতীক জৈনের লাউডন স্ট্রিটের বাড়িতে বেআইনি কয়লা পাচার মামলায় তল্লাশি অভিযান চালানো হয়। ইডির তল্লাশি চলাকালীনই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রতীকের বাড়িতে এবং সল্টলেকের দফতরে যান। বেশ কিছু নথি নিয়ে বেরিয়ে আসেন তিনি। কেন্দ্রীয় সংস্থার বিরুদ্ধে তৃণমূলের নির্বাচনী কৌশল চুরি করার অভিযোগ তোলেন। পাল্টা আদালতে গিয়েছিল ইডিও। সুপ্রিম কোর্ট ঘটনার দিনের সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণের নির্দেশ দেয়। ইডির বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া এফআইআর-এও স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়। এই পরিস্থিতিতে রাহুলের কলকাতা সফর আলাদা মাত্রা পেয়েছে।
শনিবারই দিল্লিতে ফিরে যাবেন রাহুল। বৃহস্পতিবার থেকে শনিবার পর্যন্ত তিন দিন ইডি আধিকারিকদের সিজিওতে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। এর আগে ২০২৪ সালের ৯ জানুয়ারি রাজ্যে এসেছিলেন রাহুল। তার ঠিক চার দিন আগে সন্দেশখালিতে বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতা শাহাজাহান শেখের বাড়িতে তল্লাশি অভিযানে গিয়ে আক্রান্ত হন ইডি আধিকারিকেরা। এ বার আইপ্যাক-কাণ্ডের আবহে তাঁর সফর।