কয়লা পাচার মামলার তদন্তে আরও সক্রিয় হল কেন্দ্রীয় সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। তদন্তের স্বার্থে একাধিক ব্যবসায়ীকে ফের ইডি-র দফতরে তলব করা হয়েছে বলে খবর। ওই ব্যবসায়ীদের ইতিমধ্যে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছে। চলতি সপ্তাহে ফের তদন্তকারীদের সামনে হাজিরা দিতে হবে তাঁদের।
কলকাতা থেকে কয়লা পাচারকাণ্ডের যে তদন্ত হচ্ছে, সেই মামলায় সম্প্রতি আরও তৎপর হয়েছে ইডি। ইতিমধ্যে কয়লা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত একাধিক ব্যবসায়ীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন তদন্তকারীরা। চলতি সপ্তাহে ফের তাঁদের সিজিও কমপ্লেক্সে তলব করা হয়েছে বলে ইডি সূত্রে খবর। তদন্তে জানা গিয়েছে, সন্দেহভাজন ব্যবসায়ীদের প্রভাবশালী যোগ থাকতে পারে। সব অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
আরও পড়ুন:
কয়লা পাচারের তদন্তে গত নভেম্বর মাসেই পশ্চিমবঙ্গ ও ঝাড়খণ্ডের একাধিক জায়গায় অভিযান চালিয়েছিল ইডি। আসানসোল, পুরুলিয়া এবং কলকাতার বেশ কয়েকটি এলাকার পাশাপাশি ঝাড়খণ্ডের ধানবাদেও হানা দিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সব মিলিয়ে ৪০টিরও বেশি ঠিকানায় তল্লাশি অভিযান চলে। সেই অভিযানে নগদ কয়েক কোটি টাকা, সোনার গয়না এবং প্রচুর পরিমাণে বেআইনি কয়লা বাজেয়াপ্ত করা হয় বলে ইডি সূত্রে খবর। উল্লেখ্য, কয়লা পাচার সংক্রান্ত একাধিক মামলা রয়েছে। ২০২০ সালে আসানসোল, দুর্গাপুর-সহ ইস্টার্ন কোলফিল্ড (ইসিএল)-এর বিভিন্ন খনি থেকে বেআইনি ভাবে কয়লা তুলে বিভিন্ন জেলায় পাচার করা নিয়ে একটি মামলা হয়েছিল। তাতে ইসিএলের কয়েক জন প্রাক্তন কর্তা-সহ বেশ কয়েক জনকে গ্রেফতার করা হয়। সেই মামলার তদন্তেই গত বৃহস্পতিবার আইপ্যাক-এর দফতরে এবং সংস্থার কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশি চালায় ইডি। তবে সম্প্রতি কলকাতা সংলগ্ন এলাকায় নতুন করে কয়লা পাচার সংক্রান্ত মামলা দায়ের করা হয়েছে। সেই মামলাতেই তৎপর হয়েছেন তদন্তকারীরা।