পৃথক কয়েকটি ঘটনায় অস্বাভাবিক মৃত্যু হল এক দম্পতি-সহ মোট ছ’জনের। শুক্রবার সকালে প্রথম ঘটনাটি ঘটে রিচি রোডে। পুলিশ জানায়, বেলা ১১টা নাগাদ স্থানীয়েরা দেখেন, একটি ট্যাক্সির পাশে পড়ে আছেন চালক। পুলিশ তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত ঘোষণা করা হয় সুরিন্দর পাসোয়ান (৪০) নামে ওই ব্যক্তিকে। দুপুরে তিলজলা থানার সি এন রায় রোডে একটি ফ্ল্যাট থেকে মৃত্যুঞ্জয় সিংহ (৬২) নামে এক ব্যক্তির মৃতদেহ মেলে। পুলিশ সূত্রে খবর, মৃত্যুঞ্জয়বাবু একাই থাকতেন। দীর্ঘদিন ধরে হার্টের সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। কিছুক্ষণ পরে পার্ক স্ট্রিট থানার ম্যাকলয়েড স্ট্রিটের একটি ফ্ল্যাটে মহম্মদ সাগির (৪৭) নামে এক ব্যক্তির পচাগলা দেহ উদ্ধার হয়। পুলিশ জানায়, সাগিরও একাই থাকতেন। এ দিনই লেক থানা এলাকার কাঁকুলিয়া রেল কলোনির বাসিন্দা শুভ্র ঘোষ (২১) নামে এক যুবকের ঝুলন্ত দেহ মেলে। সুইসাইড নোট মেলেনি বলে জানায় পুলিশ। বারাসতের নবপল্লির একটি আবাসনের ফ্ল্যাটে তালা ভেঙে এক দম্পতির দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মৃতদের নাম ফটিকচাঁদ বিশ্বাস (৬৯) এবং আরতি বিশ্বাস (৬০)। পুলিশ জানায়, প্রাক্তন সেনাকর্মী ফটিকচাঁদবাবুর ফ্ল্যাট থেকে দুর্গন্ধ পেয়ে এ দিন সকালে পুলিশে খবর দেন বাসিন্দারা।
অন্য দিকে, পুরসভার সদর দফতরে কাজে এসে এ দিন মৃত্যু হয় পুর-স্বাস্থ্য দফতরের এক কর্মীর। স্বাস্থ্য দফতরের মেয়র পারিষদ অতীন ঘোষ জানান, শেখ মৈনুদ্দিন আলি (৫০) নামে ১৫ নম্বর বরোর ওই কর্মী অন্য দিনের মতোই বরোর কিছু কাজ নিয়ে ট্রেজারিতে গিয়েছিলেন। সেখানেই আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাঁর মৃত্যু হয়। পুর সূত্রের খবর, মেদিনীপুরের কোলাঘাটের তাঁর বাড়িতে খবর দেওয়া হলে তাঁর ছেলে পুরসভায় আসেন।
এ দিকে, এ দিনই দুপুরে কোর্ট লকআপে এক বন্দির মৃত্যু হয়। ব্যারাকপুর জেল থেকে আদালতে হাজির করানোর পরে কোর্ট লকআপে ছিল জিতেন্দ্র সিংহ (৩৫) নামে ওই বন্দি। সেখানেই অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। চিকিৎসকদের অনুমান, হৃদ্রোগে আক্রান্ত হন তিনি।