বড়বাজারে আবার অগ্নিকাণ্ড। এ বার আগুন লাগল একটি ছাতার দোকান এবং তৎসংলগ্ন গোডাউনে। বুধবার সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ দমকলের কাছে আগুন লাগার খবর আসে। তার দেড় ঘণ্টার মধ্যেই দম কলের ছ’টি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এই ঘটনায় ছাতার দোকানটিতে ক্ষয়ক্ষতি হলেও কেউ জখম হননি বলে জানা গিয়েছে। দমকলের তৎপরতায় আগুন ছড়িয়ে পড়ার হাত থেকেও বাঁচানো গিয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
বড়বাজারের মহম্মদ লুহিয়া লেনের একটি ছাতার দোকানে আগুন লাগার খবর সকাল ১১টা বেজে ৩৫ মিনিটে আসে দমকলের কাছে। তার পরে দ্রুত সেখানে পৌঁছে যান অগ্নিনির্বাপণ কর্মীরা। দোকানের পিছন দিকের ইস্পাতের শাটার ভেঙে সেখান থেকে আগুন নেভানোর চেষ্টা করা হয়। ছাতার দোকানে দাহ্য পদার্থ থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছিল। দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে আসেনি। পরে দুপুর ১টার কিছু পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে জানানো হয় দমকলের তরফে।
আরও পড়ুন:
-
পার্থের ফাইল সইয়ের তদন্তে আবার তলব শিক্ষাসচিবকে? আগের দিনই সাড়ে ৮ ঘণ্টা জেরা করে সিবিআই
-
গত পঞ্চায়েতে তৃণমূল প্রার্থী এ বার কেন আইএসএফের টিকিটে? দেগঙ্গায় দু’দলের সংঘর্ষ, বোমাবাজি
-
‘হাত’ প্রতীক ফেরানোর দাবিতে অধীরের অবস্থান চলছে! রাত থেকে ঠায় বসে বিডিও অফিসের সামনে
-
সরকারি অনুমতি ছাড়াই ঘর ভেঙেছেন পুরসভার ইঞ্জিনিয়ার! রাগে চড় মেরে বিতর্কে মহারাষ্ট্রের বিধায়ক
এর আগেও বড়বাজারের বহু দোকানে, মজুতঘরে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। পুরনো ইমারতের ভিতরে ঘিঞ্জি দোকান এবং আগুন প্রতিরোধের যথাযথ ব্যবস্থা না থাকার অভিযোগ এর আগেও বহু বার করেছেন স্থানীয়েরা। কিন্তু তার পরেও পরিস্থিতি বদলায়নি। বুধবার আগুন লাগার খবর পেয়ে তাই কোনও ঝুঁকি না নিয়ে দমকলের ছ’টি ইঞ্জিন পাঠানো হয় ঘটনাস্থলে। যাতে আগুন আশপাশে ছড়িয়ে পড়তে না পারে। সেই তৎপরতার জন্যই আগুন দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা গিয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।