পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব ভারতের বিভিন্ন স্কুলকে উদ্ভাবনী দক্ষতার বিকাশে পথ দেখাতে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়কে বেছে নিল কেন্দ্রীয় স্কুল শিক্ষা দফতর, অল ইন্ডিয়া কাউন্সিল ফর টেকনিক্যাল এডুকেশন (এআইসিটিই) এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের ইনোভেশন সেল (এমআইসি)।
গবেষণা এবং উদ্ভাবনী দক্ষতায় দেশের প্রথম সারির বিশ্ববিদ্যালয়গুলির অন্যতম যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। বুধবার থেকে দেশের এই অঞ্চলের পিএম-শ্রী এবং আরও কিছু স্কুলের জন্য উদ্ভাবনী যজ্ঞে তিন দিনের আঞ্চলিক মনিটরিং পর্ব শুরু হয়েছে যাদবপুরে। যাদবপুরের ইনস্টিটিউশন ইনোভেশন সেল বা আইআইসি এই উদ্যোগটির দায়িত্বে রয়েছে। ১৩-১৫ মে পর্যন্ত এই মনিটরিং সেশন চলবে।
যাদবপুরের আইআইসি-র প্রেসিডেন্ট তথা ইনস্ট্রুমেন্টেশন ও ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অধ্যাপক রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, মোটামুটি ৫০টি স্কুলের ১৫০-এরও বেশি ছাত্রছাত্রী এবং শিক্ষকেরা এই উদ্যোগটিতে যোগ দিয়েছেন। তিন দিনের অনুষ্ঠানে নানা উদ্ভাবনী উদ্যোগ উপস্থাপনার ভিত্তিতে সেরাদের বেছে নেওয়া হবে। প্রধানত
উত্তর-পূর্ব ভারতের কিছু স্কুলের সঙ্গে কলকাতার বেসরকারি স্কুলও থাকছে। সেরারা দেড় লক্ষ টাকার পুরস্কার পাবে।
যাদবপুরের উপাচার্য চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য, সহ-উপাচার্য অমিতাভ দত্ত, কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের প্রতিনিধি বিভম ব্যাস এবং এআইসিটিই-র প্রতিনিধিরা ছিলেন। অমিতাভ বলেন,
‘‘এখন স্কুল স্তর থেকে ইনোভেশন কালচার বা উদ্ভাবনী সংস্কৃতি প্রসারের কথা বলা হচ্ছে। এরই ফলিত রূপ এমন উদ্যোগে উঠে আসার কথা।’’ যাদবপুরের আইআইসি-ও সাম্প্রতিক কালে প্রাক্তনীদের সহায়তা ও নানা ভাবে পুঁজির সংস্থান করে ‘ল্যাব টু মার্কেট’ সরণি ধরে এগোচ্ছে। স্কুলপড়ুয়াদের নিয়ে উদ্যোগটি ছোটদের স্বনির্ভরতার দিশা দেখাবে বলে মনে করা হচ্ছে।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)