E-Paper

এআই দিয়ে তৈরি পুকুর পরিষ্কারের ছবি? বিতর্কে কলকাতা পুরসভা

প্রশাসনিক সূত্রের খবর, কলকাতা পুরসভার সাত নম্বর বরোর অধীনস্থ ৫৮ নম্বর ওয়ার্ডের পুলিন খটিক রোডের কাছের একটি জলাশয় পরিষ্কারের ছবি সম্প্রতি পোস্ট করা হয়।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২০ জুন ২০২৬ ০৮:২৪
কলকাতা পৌরসংস্থা।

কলকাতা পৌরসংস্থা। ফাইল চিত্র।

কলকাতা পুরসভার একটি পুকুর পরিষ্কারের ছবি সমাজমাধ্যমে প্রকাশকে কেন্দ্র করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

পুরসভার ফেসবুক পেজে পোস্ট করা পুকুর পরিষ্কারের একটি তুলনামূলক ছবি ঘিরে নেটিজেনদের একাংশের অভিযোগ, কৃত্রিম মেধার সাহায্যে তৈরি হয়েছে ছবি। এই বিতর্কের জেরে শুক্রবার একটি সংশোধনী পোস্ট করে ভুল স্বীকার করে নিয়েছেন পুর কর্তৃপক্ষ। তবে সরাসরি কৃত্রিম মেধার ব্যবহারের কথা উল্লেখ না করে, এটিকে কেবল একটি ‘অনিচ্ছাকৃত ডিজিটাল ত্রুটি’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রশাসনিক সূত্রের খবর, কলকাতা পুরসভার সাত নম্বর বরোর অধীনস্থ ৫৮ নম্বর ওয়ার্ডের পুলিন খটিক রোডের কাছের একটি জলাশয় পরিষ্কারের ছবি সম্প্রতি পোস্ট করা হয়। ‘স্বচ্ছতা সে স্বাগত’ কর্মসূচির অঙ্গ হিসেবে ১৭ জুন, ২০২৬ তারিখের ওই ছবিতে পুকুরটির পূর্বের অপরিচ্ছন্ন অবস্থা ও বর্তমানের পরিষ্কার অবস্থার তুলনা করে ‘আগে’ এবং ‘পরে’ লেখা হয়েছিল। কিন্তু পরিষ্কার অবস্থার ছবিটি ঘিরেই বিপত্তি বাধে। নেটিজেনদের দাবি, ছবিটি কৃত্রিম মেধা দিয়ে তৈরি, তারই জলছাপ রয়েছে ছবিতে। এই নিয়ে রিলও তৈরি করেন অনেকে।

বিতর্কের জেরে কলকাতা পুরসভার সংশোধনী পোস্ট।

বিতর্কের জেরে কলকাতা পুরসভার সংশোধনী পোস্ট।

প্রবল বিতর্কের জেরে পুরসভা শুক্রবার বিবৃতি দিয়ে জানায়, তাদের দিক থেকে অনিচ্ছাকৃত ভুল হয়ে গিয়েছিল এবং তার জন্য তারা আন্তরিক ভাবে ক্ষমাপ্রার্থী। তবে জলাশয়টি যে যথাযথ ভাবে পরিষ্কার করা হয়েছে, সে কথাও পুরসভা জানিয়েছে। সেই সঙ্গে আরও ভাল ভাবে পরিষেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে সাহায্য করার জন্য নাগরিকদের ধন্যবাদও জানিয়েছেন পুর কর্তৃপক্ষ।

তাতে অবশ্য বিতর্ক থামছে না। সংশোধনী পোস্টের নীচে এক নেটনাগরিকের কটাক্ষ, ‘‘জেমিনি ১০০ দিনের কাজ পেয়েছে’’। আর এক জন মন্তব্য করেন, ‘‘কলকাতা এআই মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন’’। ধরা না পড়ে কী করে কৃত্রিম মেধার সাহায্যে ছবি সম্পাদনা করতে হয়, তার পরামর্শও দিয়েছেন কেউ কেউ। অপর এক ব্যক্তি লেখেন, জেমিনির জলছাপ ঠিক মতো মুছতে না পারার জন্যই ক্ষমা চাওয়া হচ্ছে। সব মিলিয়ে, বিষয়টি নিয়ে আলোচনা থামার লক্ষণ নেই নেটপাড়ায়।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Artificial Intelligence

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy