কসবায় ভুয়ো টিকা-কাণ্ডের তদন্তে এ বার আরও এক ধাপ এগোল লালবাজার। ডেপুটি কমিশনার এবং গোয়েন্দা বিভাগের তরফে শুক্রবার বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট)গঠন করা হয়েছে। গোটা ঘটনায় বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের দিকটি খতিয়ে দেখবে সিট।
লালবাজারের তরফে যে সিট গঠন করা হয়েছে, সেখানে প্রতারণা দমন, ব্যাঙ্ক জালিয়াতি দমন এবং বিশেষ সেলের আধিকারিকরদের ১০ জনকে রাখা হয়েছে। তাঁরা বিষয়টি আগাগোড়া বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন। অভিযুক্ত দেবাঞ্জন দেবের সঙ্গে কাদের যোগাযোগ ছিল, বিপুল পরিমাণ সরঞ্জাম বাজার থেকে তোলা এবং সাধারণ মানুষকে ভুয়ো টিকা দিয়ে প্রতারণা, গোটা পর্বে তাঁর সঙ্গে কাদের সংযোগ ছিল, তা তদন্ত করে দেখা হবে।
প্রশাসনের নাকের ডগায় শিবির খুলে সাধারণ মানুষকে ভুয়ো টিকা দেওয়ার ঘটনায় ইতিমধ্যেই কলকাতা হাই কোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছে। গোটা ঘটনায় আর কারা জড়িত, তা জানতে চেয়ে সিবিআই তদন্তের আর্জি জানিয়েছেন পেশায় আইনজীবী সন্দীপন দাস।
এই ঘটনায় অভিযুক্ত দেবাঞ্জন দেব আগেই গ্রেফতার হয়েছেন। তাঁকে জেরা করে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। শুধু ভুয়ো টিকা দেওয়াই নয়, আইএএস অফিসার সেজে নীলবাতির গাড়ি নিয়ে ঘুরে বেড়ানো, পুরসভার নামে বেসরকারি ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট খোলা-সহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। শাসকদলের মন্ত্রী-বিধায়কদের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতা নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে বিজেপি। গোটা ঘটনায় সঠিক এবং নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি করছে তারা।