Advertisement
E-Paper

মোদীর সভা ঘিরে ভোগান্তির আশঙ্কা

বুধবার ব্রিগেড সমাবেশের ডাক দিয়েছে বিজেপি। খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সেই সভায় উপস্থিত থাকবেন।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০২ এপ্রিল ২০১৯ ০২:০০
সাজসজ্জা: চলছে প্রধানমন্ত্রীর সভার প্রস্তুতি। সোমবার, ময়দানে। ছবি: বিশ্বনাথ বণিক

সাজসজ্জা: চলছে প্রধানমন্ত্রীর সভার প্রস্তুতি। সোমবার, ময়দানে। ছবি: বিশ্বনাথ বণিক

প্রধানমন্ত্রীর সভার জেরে ফের কাজের দিনে বিপাকে পড়তে পারে মহানগর।

কাল, বুধবার ব্রিগেড সমাবেশের ডাক দিয়েছে বিজেপি। খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সেই সভায় উপস্থিত থাকবেন। রাজ্য বিজেপি সূত্রের খবর, সেই সভা উপলক্ষে শিয়ালদহ স্টেশন এবং রাজ্য বিজেপি-র সদর দফতর মুরলীধর সেন লেন থেকে বিশাল মিছিল বেরোবে। এর পাশাপাশি, হাওড়া স্টেশন-সহ আরও কয়েকটি জায়গা থেকেও মিছিল আসবে। যার জেরে শহরের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় যানজট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

পুলিশ সূত্রের খবর, শিয়ালদহ স্টেশন থেকে বেরোনো মিছিলের জন্য এ পি সি রোড, এ জে সি বসু রোড, এস এন ব্যানার্জি রোড এবং ধর্মতলায় যানজট হতে পারে। মুরলীধর সেন লেন থেকে মিছিল বেরোলে চিত্তরঞ্জন অ্যাভিনিউ এবং বি বি গাঙ্গুলি স্ট্রিটে তার প্রভাব পড়তে পারে। এই সব গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা আটকে গেলে মধ্য কলকাতার বিস্তীর্ণ অংশে যানজট তৈরি হতে পারে। ধর্মতলাকে শহরের প্রাণকেন্দ্র বলা হয়। সেখান দিয়ে বেশির ভাগ মিছিল যাওয়ার ফলে জওহরলাল নেহরু রোড, পার্ক স্ট্রিট, শেক্সপিয়র সরণিতেও যানজট হতে পারে।

রাজ্য বিজেপি ও পুলিশ সূত্রের খবর, বেলা ১১টা থেকেই মিছিল শুরু হতে পারে। যার জেরে ভরদুপুরে থমকে যেতে পারে শহরের গতি। তখন সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছতে গেলে মেট্রোর উপরে ভরসা করা ছাড়া গতি নেই। তবে এ নিয়ে কেউ কেউ টিপ্পনীও কাটছেন। বলছেন, মেট্রোর যা পরিষেবার হাল, তাতে নিত্যদিনই কোনও না কোনও অঘটন ঘটে। অতিরিক্ত ভিড় সামলে মেট্রো কতটা ঠিকঠাক পরিষেবা দিতে পারবে, তা নিয়ে সন্দেহ থেকেই যাচ্ছে। সমাবেশমুখী বহু মানুষ শহরতলি থেকে লোকাল ট্রেনে চেপে শহরে পৌঁছতে পারেন। ফলে সেই ট্রেনগুলিতেও ভিড় বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।

দিল্লি দখলের লড়াই, লোকসভা নির্বাচন ২০১৯

বিজেপি ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ব্রিগেডের সভায় উত্তরবঙ্গের সমর্থকেরা আসবেন না। সমাবেশকারীদের বড় একটি অংশ বাসে ও গাড়িতে চেপে শহরে ঢুকবেন। তাই আজ, মঙ্গলবার রাত থেকেই ট্র্যাফিক পুলিশের পাঁচটি দল ময়দানের নির্দিষ্ট এলাকায় পার্কিংয়ের দায়িত্বে থাকবে। বস্তুত, গত কয়েকটি বড় সমাবেশে আগের রাত থেকেই পার্কিংয়ে নজর দেওয়ায় যানজট সামলাতে তুলনামূলক ভাবে সফল হয়েছিল পুলিশ।

• এর বাইরে আরও ৮টি জায়গা থেকে মিছিল।
• মিছিল শুরুর সময়: বেলা ১১টা।
• সভা শুরু: বিকেল ৩টে।
• প্রধানমন্ত্রীর পৌঁছনোর সম্ভাব্য সময়: বিকেল ৩টে ৫৫ মিনিট।
• মোদীর পথ: বিমানে কলকাতা বিমানবন্দর। সেখান থেকে হেলিকপ্টারে রেসকোর্স। খিদিরপুর রোড দিয়ে সভাস্থল।
• কয়েক হাজার পুলিশকর্মী।
• কুইক রেসপন্স টিম।
• ব্রিগেড সংলগ্ন বহুতলে স্নাইপার নিয়ে কম্যান্ডো বাহিনী।
• মঞ্চের নিরাপত্তায় এসপিজি।
• অ্যাম্বুল্যান্স।
• পথে, ব্রিগেডের চারপাশে পদস্থ পুলিশকর্তারা।

সূত্র: বিজেপি এবং পুলিশ

এ বারেই প্রথম ছাউনি ঢাকা ব্রিগেড সমাবেশ দেখবে কলকাতা। ইতিমধ্যেই সাতটি ছাউনি তৈরি হয়েছে ব্রিগেডের ময়দানে। ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগেও নরেন্দ্র মোদী ব্রিগেডে সমাবেশ করেছিলেন। সে বার অবশ্য ছাউনি ছিল না।

পুলিশ সূত্রের খবর, বিকেল সাড়ে তিনটে নাগাদ কলকাতা বিমানবন্দরে নামবে মোদীর বিমান। সেখান থেকে হেলিকপ্টারে চেপে তিনি রেসকোর্সে পৌঁছবেন বলে খবর। রেসকোর্স থেকে গাড়িতে চেপে সভাস্থলে পৌঁছবেন।

নিয়ম অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্ব থাকছে ‘স্পেশ্যাল প্রোটেকশন গ্রুপ‌’ (এসপিজি)-এর হাতে। ইতিমধ্যেই এসপিজি-র সঙ্গে নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে কলকাতা পুলিশের। নিরাপত্তা-বিধি মেনেই সমাবেশস্থল ও তার চারপাশে কড়া নিরাপত্তা থাকছে। ব্রিগেডের আশপাশে বিভিন্ন বহুতলে স্নাইপার রাইফেল হাতে মোতায়েন করা হচ্ছে কম্যান্ডো বাহিনীকে। সমাবেশের চারপাশে কলকাতা পুলিশের পদস্থ কর্তারাও থাকবেন। রাস্তায় মোতায়েন থাকবেন কয়েক হাজার পুলিশকর্মী।

Lok Sabha Election 2019 BJP Narendra Modi Meeting Brigade Parade Ground
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy