E-Paper

কারখানায় খুন শ্রমিককে, ধৃত সহকর্মী

পুলিশ জানিয়েছে, রবিবার রাত ১১টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে নারকেলডাঙা থানা এলাকার মানিকতলা মেন রোড সংলগ্ন সতীন সেন সরণিতে। ওই কারখানায় লোহার শিকল তৈরি হত। হাতে গোনা কয়েক জন শ্রমিক কাজ করতেন।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৬ মে ২০২৬ ০৭:৫৭

— প্রতীকী চিত্র।

তিন দিন আগে কারখানায় কাজে যোগ দিয়েছিলেন। দিনের কাজের পরে রাতে কারখানাতেই আর এক শ্রমিকের সঙ্গে থাকতেন। সোমবার সকালে সেই কারখানায় ভিতর থেকে উদ্ধার হল এক জনের রক্তাক্ত দেহ। মৃতের নাম অরূপ ঘোষ। তাঁর মাথার পিছনে ভারী কিছু দিয়ে আঘাতের চিহ্ন মিলেছে। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে অনুপ ঠাকুর নামে এক জনকে গ্রেফতার করেছে নারকেলডাঙা থানা।

পুলিশ জানিয়েছে, রবিবার রাত ১১টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে নারকেলডাঙা থানা এলাকার মানিকতলা মেন রোড সংলগ্ন সতীন সেন সরণিতে। ওই কারখানায় লোহার শিকল তৈরি হত। হাতে গোনা কয়েক জন শ্রমিক কাজ করতেন। দিন তিনেক আগে কারখানায় কাজে যোগ দেন অরূপ। তাঁর বাড়ি এ পি সি রোডে। রবিবার কাজের পরে কারখানায় ঘুমিয়েছিলেন। স্থানীয়দের দাবি, অরূপের সঙ্গে ছিলেন আরও এক শ্রমিক। সোমবার সকাল আটটা নাগাদ মালিক দরজা খুলে ঢুকে একটি গদির উপরে অরূপকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। তিনিই থানায় খবর দেন। স্থানীয় এক দোকানদার বলেন, ‘‘সকালে মালিক কারখানা খুলতে এসে আমাদের জানান, রক্তাক্ত অবস্থায় এক শ্রমিক পড়ে আছেন। গিয়ে কারখানায় ভিতরে একাধিক জায়গায় রক্তের দাগ দেখেছি।’’

দুপুরে ঘটনাস্থলে আসেন কলকাতা পুলিশের হোমিসাইড বিভাগের তদন্তকারীরা ও লালবাজারের সায়েন্টিফিক উইংয়ের গোয়েন্দারা। তাঁরা ঘটনাস্থল ঘিরে দিয়ে নমুনা সংগ্রহ করেন। পুলিশ জানিয়েছে, কারখানার বাইরে দু’টি সিসি ক্যামেরা রয়েছে। সেই ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। তার ভিত্তিতে আটক করা হয়েছে অনুপ ঠাকুর নামে কারখানারই এক শ্রমিককে। পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে খুনের কথা স্বীকার করেছে। ঘটনার পিছনে পুরনো কোনও বিবাদ ছিল কিনা, তা-ও দেখছেন তদন্তকারীরা।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

unnatural death police investigation

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy