Advertisement
E-Paper

পাড়ায় পুজো

সব পাড়াতেই এখন পুজোর সাজ। চলছে মণ্ডপ তৈরি। প্রতিমা নির্মাণ। জমে উঠেছে উৎসবের প্রস্তুতি। কোন পাড়ায় কী হচ্ছে তার আগাম হদিস।৭৬তম বর্ষে আমাদের থিম ‘রঙের ভেলায় রঙের খেলা’। রাজু সূত্রধরের ভাবনায় বাংলা এবং ওড়িশার বিস্মৃতপ্রায় পটশিল্পে সাজবে মণ্ডপ। পিংলা ও তাহেরপুরের পটগুলি মণ্ডপের সামনে ও দেওয়ালে সাজানো হবে। সাবেক বিষয় ছাড়াও শ্রীচৈতন্যের ভাবধারায় সেগুলি অনুপ্রাণিত।

শেষ আপডেট: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০১:৩১
বিশ্বনাথ বণিক

বিশ্বনাথ বণিক

পার্ক সার্কাস সর্বজনীন

৭৬তম বর্ষে আমাদের থিম ‘রঙের ভেলায় রঙের খেলা’। রাজু সূত্রধরের ভাবনায় বাংলা এবং ওড়িশার বিস্মৃতপ্রায় পটশিল্পে সাজবে মণ্ডপ। পিংলা ও তাহেরপুরের পটগুলি মণ্ডপের সামনে ও দেওয়ালে সাজানো হবে। সাবেক বিষয় ছাড়াও শ্রীচৈতন্যের ভাবধারায় সেগুলি অনুপ্রাণিত। মণ্ডপের বাইরে ধাপে ধাপে থাকছে অসংখ্য রথে থাকবে জগন্নাথ-বলরাম-সুভদ্রার মূর্তি। সোনালি একচালার প্রতিমা। জয় সরকারের আবহসঙ্গীতে থাকছে লোকায়ত সুর। পুজোর পাশাপাশি চার দিন ধরে চলে মেলা।

বকুলবাগান

বাংলার বিভিন্ন জেলার লোকায়ত শিল্পকে মণ্ডপে তুলে আনছি আমরা। সঙ্গে থাকছে কালু রায়, দক্ষিণরায়, ওলা বিবি, ফতেমা বিবির মতো লোক-দেবতাদের থান। প্রবেশপথে থাকবে বিষ্ণুপুরের পোড়ামাটির দু’টি ঘোড়া। সুব্রত চঞ্চল দে-র ভাবনায় তার গায়ে থাকছে পটশিল্পের কাজ। রঙিন মাটির সরা এবং ভাঁড় মণ্ডপ সাজাতে ব্যবহার করা হচ্ছে। ‘ষড়ঙ্গবাদ’ অনুসারে তৈরি হবে মাতৃমূর্তি। শতদ্রু কবীরের আবহসঙ্গীতে প্রাধান্য পেয়েছে ঝুমুর, ভাওয়াইয়া, বাঁশি।

সঙ্ঘশ্রী

৭১তম বর্ষে মণ্ডপের চেয়ে আমরা মা দুর্গাকেই বেশি গুরুত্ব দিয়েছি। আমাদের থিম ‘৩৫ ফুটের সাবেকিয়ানায় সঙ্ঘশ্রী’। বিশাল প্রতিমার জন্য মণ্ডপও হচ্ছে মানানসই। সাত রঙের কাপড়ের টুকরো ব্যবহার করে নানা নকশা তৈরি হচ্ছে। বাঁশ কেটেও হচ্ছে নানা নকশা। বাঁশের নকশাগুলি থেকে ঝুলিয়ে দেওয়া হবে কাপড়ের নকশাগুলি। একচালা প্রতিমার উচ্চতা হবে ৩৫ ফুট। সঙ্গে থাকবে জরির সাজ। পুজোর তিন দিন থাকছে বসে খাওয়ার আয়োজন। দু’টি সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা করারও ভাবনা রয়েছে।

বাবুবাগান

৫৫তম বর্ষে আমাদের থিম ‘বাংলার ব্রতচারী’। মণ্ডপে নানা জায়গায় মাটি-খড়-ফাইবারের মূর্তির মাধ্যমে ব্রতচারীর পঞ্চব্রতেরে বার্তাই দেওয়া হবে। লোকসংস্কৃতি ও বাংলার ঐতিহ্যকে তুলে ধরতে মণ্ডপের দেওয়ালে থাকছে বেত, খড়, মাটির সরা, ঘণ্টা ইত্যাদির কাজ।

লেক গার্ডেন্স পিপলস্‌ অ্যাসোসিয়েশন

৬১ বছরে পা দিল আমাদের পুজো। এ বারের থিম ‘তপস্বিনী’। মণ্ডপের বাইরে থাকবে আটটি থাম ও একটি ত্রিশূল। থামগুলির মধ্যে আলোর কায়দায় দেখানো হবে মা দুর্গার আটটি রূপ। মণ্ডপের ভিতরে বাঁশি ও বাঁশের কঞ্চি দিয়ে সাজানো হবে। ছাদে থাকছে আয়না। মায়ের শান্ত ভঙ্গিতে।

৯৫ পল্লি সর্বজনীন

৬৭ বছরে পা দিল আমাদের পুজো। এ বারের থিম ‘ইচ্ছাপূরণ’। জীবনে চলার পথে এক অদৃশ্য শক্তি আমাদের সব সময়ে অনুপ্রাণিত করে। কারও কাছে সেই শক্তির নাম ঈশ্বর, কারও কাছে আল্লা, আবার কারও কাছে যিশু। তাঁর কাছেই আমাদের সব ইচ্ছেপূরণের চাবিকাঠি। কিন্তু সত্যিই কী তাই? ইচ্ছাপূরণের
চাবি তো আমাদের কাছেও থাকতে পারে। সেই প্রশ্নেরই জবাব খুঁজবে আমাদের পুজো।

পল্লিমঙ্গল সমিতি (যোধপুর পার্ক)

মানুষের মনে সব সময়েই চলছে ভালো-মন্দের দ্বন্দ্ব। তা নিয়েই ৫৭তম বর্ষের থিম ‘অহম বধে নিষ্ক্রমণ’। সাদা-কালোর মধ্যে তফাত করার যে বোধ, তার প্রতীক হিসেবে চালুনি ও বেড়ার ব্যবহার করা হচ্ছে। মণ্ডপের সামনে এক মানুষের মুখ থাকছে। চালুনির জালে ইমপ্রিন্ট করা দুর্গার মুখ দিয়ে সাজবে মণ্ডপ। দেবী দুর্গা থাকছেন রুদ্র রূপে, কিন্তু সাদা সাজে।

নেতাজি জাতীয় সেবাদল (রানিকুঠি)

এ বার আমাদের থিম ‘শিব সন্ন্যাসীর প্রাণ/ গাজনে মায়ের থান’। এ বার ৬৬তম বর্ষ। পুজো প্রাঙ্গণে বসবে চড়কের মেলা। আলো ও মডেলের সাহায্যে ফুটিয়ে তোলা হবে গাজনের পালা, আগুনের উপরে ঝাঁপ ইত্যাদি চিরাচরিত প্রথা। থাকছে থিমের সঙ্গে মানানসই সম্পূর্ণ মাটির, রঙীন একচালার ঠাকুর। ।

নিউ আলিপুর হিন্দুস্থান ক্লাব

এ বার আমাদের পুজোর থিম ‘রামায়ণ’। কয়েকটি বিশেষ অধ্যায় তুলে আনা হবে মণ্ডপে। প্রবেশপথের সামনে থাকছে একটি রাক্ষসের মুখ। উপরে জটায়ুর মূর্তি। পাশে স্বমহিমায় হনুমান। মণ্ডপের ভিতরে বনের পরিবেশ।

দেশগৌরব পাঠাগার শারদোৎসব (গার্ডেনরিচ)

৭৫ বছরে পা দিল আমাদের পুজো। সাদা ও গেরুয়া রঙে অক্ষরধাম মন্দিরের আদলে তৈরি হচ্ছে মণ্ডপ। মণ্ডপে থাকবে ফোয়ারা ও গাছের সাজ। সঙ্গে নানা দেবদেবীর মূর্তি। এলইডি আলোয় তৈরি হবে মায়াবী পরিবেশ। বাইরে চন্দননগরের আলো। সনাতন রুদ্র পালের প্রতিমা সাবেক। চতুর্থী থেকে একাদশী পর্যন্ত চলবে জমজমাট মেলা।

বিবেকানন্দ পার্ক অ্যাথলেটিক ক্লাব

‘ঠাকুরমার ঝুলি’র অনুপ্রেরণায় আমাদের থিম ‘চমক অল্প স্বল্প/ বাকিটা গল্প’। ঠাকুরমার ঝুলির গল্পগুলি যে মূল্যবোধের শিক্ষা দেয়, নতুন প্রজন্মের মধ্যে সেটা ছড়িয়ে দিতেই এই ভাবনা। মণ্ডপে থাকবে নানা মডেল যেগুলি দেখলেই দর্শকেরা বুঝতে পারবেন কোন গল্পের কথা বলা হচ্ছে। মণ্ডপের সামনে থাকবে ঠাকুরমার একটি বড় মূর্তি। সঙ্গে অবশ্যই নাতি-নাতনিরা। ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্তের করা আবহসঙ্গীতও এই গল্প দিয়ে শুরু হয়ে শেষ হবে মা দুর্গার গল্পে। মাটির কাজে মা থাকছেন সাবেক রূপে।

অমর দীপ সঙ্ঘ (মতিলাল গুপ্ত রোড)

৪২তম বর্ষে আমাদের থিম ‘দশকর্মায় দশভুজা’। বাংলার সমস্ত পুজোর অন্যতম উপকরণ এই দশকর্মা। পৈতে, লাল চেলি, মাটির ঘট, কুনকে, রুদ্রাক্ষ— এ সব কিছু দিয়ে দীপাঞ্জন দে তৈরি করছেন আলপনা। সাবেক আটচালা আদলের মণ্ডপে দু’টি ভাগ থাকবে। সামনের অংশে দশকর্মার নানা উপকরণ দিয়ে পিলসুজ তৈরির চেষ্টা চলছে। প্রতিমার সঙ্গে থাকছে ঘোড়ামুখের সিংহ বা দেবসিংহ। প্রতিমা সাবেক হলেও চমক থাকছে রঙের ব্যবহারে। সঙ্গে মানানসই আবহসঙ্গীত। তৃতীয়ায় পুজোর উদ্বোধনের দিন শিশুদের পোশাক ও ক্যানসার আক্রান্তদের ফল বিতরণ করা হবে।

মিত্র সঙ্ঘ (বেহালা)

হিংসা জর্জরিত পৃথিবীতে শান্তি খুঁজছি আমরা সবাই। তাই ৬৮তম বছরে ধ্বংসের বিরুদ্ধে সৃষ্টির প্রয়াসকে থিম হিসেবে বেছেছি। সম্রাট অশোকের চণ্ডাশোক থেকে ধর্মাশোকে পরিবর্তনের কাহিনি আমরা তুলে আনছি মণ্ডপে। যুদ্ধের দৃশ্য থেকে অশোকের কল্যাণকামী রূপ— সবই থাকছে। শান্তির একমাত্র পথ ‘মা’। তাই দুর্গা থাকছেন ধ্যানস্থ রূপে। শিল্পী অনিমেষ দাস প্রাধান্য দিয়েছেন সাদা ও গেরুয়া রঙকে। আবহসঙ্গীতে শোনা যাবে তবলা, খোল ইত্যাদি বাদ্যযন্ত্র।

জিতেন্দ্র স্মৃতি সঙ্ঘ (বেহালা)

এ বার আমাদের পুজোর ৪৬তম বছর। মণ্ডপের প্রবেশপথে থাকছে কুরুক্ষেত্র যুদ্ধের কিছু মুহূর্ত। প্রাধান্য পেয়েছে রথ, কৃষ্ণ ও অর্জুনের ছবি। মণ্ডপে রয়েছে নকশার জমজমাট কাজ। ভিতরে থাকবে থার্মোকলের নানা দেবদেবীর মূর্তি। সাবেক প্রতিমার সোনালি সাজ ঝাড়বাতির আলোয় ঝলমলিয়ে উঠবে। আবহসঙ্গীতে শোনা যাবে গীতার বাণী। ষষ্ঠীতে দুঃস্থ মানুষদের মধ্যে বস্ত্র বিতরণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

মৈত্রী সঙ্ঘ (দর্জিপাড়া পার্ক)

৭৬তম বর্ষের এই পুজো আনবে শান্তির বার্তা। কুশধ্বজ বেরার সাবেক প্রতিমায় আধুনিকতার ছোঁয়া থাকছে। আয়না দিয়ে তৈরি হচ্ছে মণ্ডপ। পোড়া মাটি, নারকেল ও তালগাছের ছালের ব্যবহার হচ্ছে অন্দরসজ্জায়। দেবীর হাতে ত্রিশূলের বদলে থাকবে পায়রা। উদ্বোধনের দিন ‘দুর্গামূর্তির চিন্তায় বাঙালিয়ানা’ বিষয়ে থাকছে বিশেষ তথ্যচিত্র ও ধারাভাষ্যের ব্যবস্থা।

সিমলা ব্যায়াম সমিতি

৯১ বছরের পুজোয় জড়িয়ে আছে সাবেকিয়ানা। তাই বাসুদেব রুদ্র পাল তৈরি করছেন মায়ের চিরন্তন মূর্তি। সিকিমের সাঁইবাবা মন্দিরের আদলে মণ্ডপ। ভিতরে থার্মোকলের কারুকাজ। ঝাড়লণ্ঠনের আলোয় আলোকিত হবে মণ্ডপ। প্রতি বছরের মতোই থাকছে ভোগের আয়োজন।

জোড়াসাঁকো ৭-এর পল্লি

বেদের ‘কৌমুদ শাখায়’ দেবী দুর্গার ষোড়শ নামকরণের অন্যতম হল ‘নারায়ণী’। সেই নারায়ণী রূপের পুজো হবে সুবর্ণ জয়ন্তীতে। সমাজ দূষণের ভাবনা থেকেই সাইকেলের স্পোক, বাঁশের কঞ্চি, খড়ের কাঠির মতো তুচ্ছ জিনিসে সাজিয়েছি মণ্ডপ। ‘দূষণ নয়, ভূষণ’— এই ভাবনায় দেবাশিস মান্না তুলে ধরেছেন নারায়ণীর রূপকল্প।

নিমতলা সর্বজনীন

এই পুজো নিয়ে যাবে এক কল্পনার জগতে। সেখানে পাখিরাই কারিগর, তারাই নিয়ে আসবে দেবীকে। দেবী বন্দনাতেও সামিল তারা। আর এই পাখিদের তীর্থভূমিতে অসুর হিসেবে স্থান পেয়েছে নয়া প্রযুক্তি যার মাধ্যমে আসলে প্রতিনিয়ত প্রাণহানি হচ্ছে পাখিদের। পাখিদের দৃষ্টিকোণ থেকেই রূপায়িত হবে গোটা ভাবনা। শিল্পী স্বপন বাগ থিমের সঙ্গে সাযুজ্য রেখে তৈরি করছেন ফাইবারের প্রতিমা।

বেলগাছিয়া সাধারণ দুর্গোৎসব

বিশ্ব জুড়ে জোর দেওয়া হচ্ছে বাঘ সংরক্ষণে। ৬৯তম বর্ষে তুলে আনছি একটুকরো সুন্দরবন। মণ্ডপ সাজছে কঞ্চি, ডালপালা, খড়ে। প্যারিসে খোদাই করে সোমনাথ মুখোপাধ্যায় ফুটিয়ে তুলছেন নানা চিত্র। প্রবেশপথে থাকবে বনদেবীর মূর্তি। সেখানে সবাই বনবিবিরূপী দুর্গার কাছে বাঘের প্রাণ বাঁচানোর প্রার্থনায় রত।

পূর্ব কলকাতা সর্বজনীন

শরতের মধ্যে আপনি যদি খুঁজে পেতে চান বসন্তকে, তা হলে আপনার ঠিকানা হবে আমাদের পুজোমণ্ডপ। ৭০তম বর্ষে আমাদের ভাবনা ‘এখানে বসন্ত’। কাঁচা বাঁশের উপরে নানাবিধ রং করে সেজে উঠছে মণ্ডপ। বাঁশের মাঝে মাঝে থাকছে বিভিন্ন মোটিফের ব্যবহার। শিল্পী সনাতন পালের তৈরি প্রতিমা সকলের নজর কাড়বে। দুর্গাষ্টমীতে থাকছে সকলের জন্য বিশেষ ভোগের আয়োজন।

বৃন্দাবন মাতৃ মন্দির

আমাদের নিবেদন ‘দেবীর চরণ’। শক্তি, ভক্তি এবং প্রযুক্তির উপরে নির্ভর করে মণ্ডপ সেজে উঠছে। ছোট ছোট উপকরণ অর্থাৎ ফানেল, পাখার ব্লেড, বারকোশ, মোটরের নানাবিধ অংশ দিয়ে সাজছে মণ্ডপ। থাকছে কিছু ‘মুভিং ইনস্টলেশন’। শিল্পী পার্থ দাস প্রতিমা তৈরি করছেন ভাবনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে। থাকছে আবহসঙ্গীতও। শতবর্ষ পেরোনো এই পুজোয় সকলে হাতে হাত মিলিয়ে করছি নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন।

বরানগর কর্মী সঙ্ঘ

চারপাশের ইট-কাঠ আর কংক্রিটের ভিড়ে আজ হারিয়ে যাচ্ছে বনেদিয়ানা। আধুনিক স্থাপত্যের মাঝে বাংলার চিরাচরিত স্থাপত্যকে মনে করিয়ে দিতে বজবজের বাওয়ালি রাজবাড়ির অনুকরণে তৈরি হচ্ছে আমাদের পুজোমণ্ডপ। হিজলি রাজার সেনাপতি রাজারাম মণ্ডলের ওই সুবিশাল বাড়ির আদলে তৈরি বড় বড় সিঁড়ি, প্রশস্ত উঠোন, লম্বা বারান্দা এক লহমায় দর্শকদের নিয়ে যাবে প্রাচীন, রাজকীয় বাংলায়। শিল্পী পঞ্চানন রুদ্র পালের তৈরি প্রতিমাতেও থাকছে সাবেকিয়ানার ছোঁয়া।

বন্ধুদল স্পোর্টিং ক্লাব

আমাদের মণ্ডপে ঢুকলে আপনি পৌঁছে যাবেন মহীশূর প্রাসাদে। ফাইবার, কাঠ, প্লাই, কাচ দিয়ে তুলে ধরা হচ্ছে প্রাসাদের কারুকাজ। ভিতরে থাকছে প্রায় ৫৫টি মডেলের ইনস্টলেশন। প্রাসাদের ভিতরে যেমন ভাবে রাজা-রানি বসে থাকেন, সেই ভঙ্গিমায় থাকছে নানা মডেল। থাকছে গ্যালারিও। শিল্পী রাম পাল তৈরি করছেন নজরকাড়া প্রতিমা। এ ছাড়াও দু’টি জীবন্ত মডেলের সংযোজন আলাদা মাত্রা আনছে।

Durga puja
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy