Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

২৬ জুন ২০২২ ই-পেপার

URL Copied
Something isn't right! Please refresh.

Operation: লিচু খেতে গিয়ে শ্বাসনালীতে বীজ, সফল অস্ত্রোপচার কলকাতার হাসপাতালে

শনিবার সকালে নিজের অফিসে বসে লিচু খাচ্ছিলেন উত্তম। সেই সময় একটি ফোন আসে। কথা বলতে গিয়েই লিচুর বীজ গলায় ঢুকে শ্বাসনালীতে আটকে যায়।

নিজস্ব সংবাদদাতা
কলকাতা ২৯ মে ২০২২ ১৪:১৯
Save
Something isn't right! Please refresh.
হাসপাতালে উত্তম রায়। নিজস্ব চিত্র।

হাসপাতালে উত্তম রায়। নিজস্ব চিত্র।

Popup Close

লিচু খেতে গিয়ে হঠাৎই শ্বাসনালীতে আটকে গিয়েছিল বীজ। প্রবল শ্বাসকষ্ট নিয়ে শনিবারে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে পৌঁছন ধানবাদের বাসিন্দা উত্তম রায়। জটিল অস্ত্রোপচার করে সেই বীজ বার করেন চিকিৎসকরা।উত্তম পেশায় ব্যবসায়ী। তাঁর মেয়ে সিওয়াশ্রী রায় জানিয়েছেন, শনিবার সকালে নিজের অফিসে বসে লিচু খাচ্ছিলেন তাঁর বাবা। সেই সময় একটি ফোন আসে। কথা বলতে গিয়েই লিচুর বীজ গলায় ঢুকে শ্বাসনালীতে আটকে যায়। তার পরই শুরু হয় শ্বাসকষ্ট। বাড়ির লোকেরা উত্তমকে প্রথমে একটি স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যায়। তত ক্ষণে শ্বাসনালীর আরও ভিতরে চলে গিয়েছিল লিচুর বীজ। চিকিৎসকরা স্ক্যান করে দেখেন বীজটি খুব বিপজ্জনক ভাবে আটকে রয়েছে। তাঁরা জানান, ‘রিজিড ব্রঙ্কোস্কপি’ করা প্রয়োজন। কিন্তু হাসপাতালে সেই পরিকাঠামো না থাকায় উত্তমকে দুর্গাপুরে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসা হয়। দু’টি হাসপাতালে ঘুরেও কোনও সুরাহা না হওয়ায় রাতেই কলকাতার ফুলবাগানে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।

Advertisement

চিকিৎসকরা স্ক্যান করে দেখার পরই তড়িঘড়ি অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেন। চিকিৎসক দেবরাজ যশের নেতৃত্বে অস্ত্রোপচার করা হয়। সঙ্গে ছিলেন চিকিৎসক শুভ্রাণু ঘোষ এবং অ্যানাসথেসিওলজিস্ট চন্দন পাণ্ডা। দেবরাজ বলেন, “শ্বাসনালীতে লিচুর বীজটি আটকে থাকায় রোগী স্বাভাবিক শ্বাস নিতে পারছিলেন না। তাই দ্রুত ব্রঙ্কোস্কপি করার সিদ্ধান্ত নিই আমরা। কিন্তু বীজটিকে শক্ত ভাবে ধরে বার করাই মূল চ্যালেঞ্জ ছিল। কারণ ধরতে গেলেই সেটি ফস্কে যাচ্ছিল।” শনিবার মধ্যরাতেই রোগীর অস্ত্রোপচার করে বীজটি বার করা হয়। আপাতত স্থিতিশীল রয়েছেন রোগী।

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তেফলো করুন আমাদের Google News, Twitter এবং Instagram পেজ



Something isn't right! Please refresh.

Advertisement