কালবৈশাখীর দাপটে শুক্রবার রাতে কলকাতা বিমানবন্দরে নামতেই পারল না চারটি বিমান। তাদের মধ্যে দু’টি আসছিল দুবাই এবং ব্যাংকক থেকে, বাকি দু’টি ভিন্রাজ্য থেকে। চারটি বিমানই কলকাতা বিমানবন্দর থেকে অভিমুখ ঘুরিয়ে অন্য বিমানবন্দরে গিয়ে অবতরণ করে। শুক্রবার রাতে ঝড়ের মুখে পড়ে কলকাতার আকাশে প্রায় ৫৫ মিনিট চক্কর কাটে অমিত শাহের বিমান। শেষে সেই বিমান অবতরণের অনুমতি পায়। তার আগের দিন, বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিমান ঝড়বৃষ্টির কারণে কলকাতা বিমানবন্দরে নামতে না পেরে প্রায় দেড় ঘণ্টা চক্কর কাটে আকাশে।
বিমানবন্দর সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাতে খারাপ আবহাওয়ার কারণে যে চারটি বিমান গতিমুখ বদলাতে বাধ্য হয়, তার মধ্যে একটি দুবাই এবং একটি ব্যাংকক থেকে আসছিল। কলকাতা বিমানবন্দরে নামার কথা ছিল তাদের। ফ্লাই দুবাই এবং তাই এয়ারওয়েজ়ের ওই দু’টি বিমানকে ঢাকায় পাঠানো হয়। দুবাই থেকে আসা বিমানটি রাতে ১টা ৩ মিনিটে ঢাকায় নামে। তাইল্যান্ড থেকে আসা বিমানটি রাত ১টা ৪৭ মিনিটে ঢাকায় অবতরণ করে। অন্য দু’টি বিমানের একটি হায়দরাবাদ এবং অন্যটি বেঙ্গালুরু থেকে কলকাতা আসছিল। হায়দরাবাদ থেকে আসা ইন্ডিগো সংস্থার বিমানটিকে নাগপুরে এবং বেঙ্গালুরুর থেকে আসা এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানকে লখনউয়ে পাঠানো হয়। সেখানে অবতরণ করে তারা।
শুক্রবার রাত ১১টা ৪০ মিনিট নাগাদ শাহের বিমান অবতরণের কথা ছিল কলকাতা বিমানবন্দরে। কিন্তু খারাপ আবহাওয়ার কারণে তা সম্ভব হয়নি। শাহের বিমান কলকাতার আকাশে চলে এসেছিল ১২টা ২৫ মিনিট নাগাদ। প্রায় ৫৫ বিমানটি আকাশে চক্কর কেটেছে। এক বার কৃষ্ণনগরের দিক থেকেও তা ঘুরে এসেছে বলে সূত্রের খবর। রাত ১টা ২০ মিনিট নাগাদ শাহের বিমান অবতরণ করে কলকাতায়। এর আগে বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী মমতাও এই পরিস্থিতির মুখে পড়েছিলেন।