Advertisement
E-Paper

দক্ষিণ দমদমেই ডেঙ্গি বেশি: ডিএম

দক্ষিণ দমদম পুরসভায় ডেঙ্গি আক্রান্ত সবচেয়ে বেশি। বৃহস্পতিবার কামারহাটির কলেজ অব মেডিসিন অ্যান্ড সাগর দত্ত হাসপাতালের কাছে পানিহাটি, কামারহাটি, বরাহনগর, দমদম, উত্তর দমদম, দক্ষিণ দমদম পুরসভার আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠকের শেষে এমনই জানালেন উত্তর ২৪ পরগনার জেলাশাসক অন্তরা আচার্য।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১২ অগস্ট ২০১৬ ০০:০০

দক্ষিণ দমদম পুরসভায় ডেঙ্গি আক্রান্ত সবচেয়ে বেশি। বৃহস্পতিবার কামারহাটির কলেজ অব মেডিসিন অ্যান্ড সাগর দত্ত হাসপাতালের কাছে পানিহাটি, কামারহাটি, বরাহনগর, দমদম, উত্তর দমদম, দক্ষিণ দমদম পুরসভার আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠকের শেষে এমনই জানালেন উত্তর ২৪ পরগনার জেলাশাসক অন্তরা আচার্য।

সাগর দত্ত হাসপাতালে ওই বৈঠকে জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক প্রলয় আচার্য, ব্যারাকপুরের মহকুমা শাসক পীযূষ গোস্বামী-সহ বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতাল ও পূর্ত কর্তারা ছিলেন। ডেঙ্গি-যুদ্ধে পুরসভার ভূমিকা ও করণীয় নিয়ে আলোচনা করেন জেলাশাসক।

বৈঠকের শেষে দক্ষিণ দমদম পুর-এলাকার ডেঙ্গি-চিত্র নিয়ে সচেতন করে অন্তরাদেবী বলেন, ‘‘অন্য পুরসভার মতো দক্ষিণ দমদম পুরসভাকেও বলা হয়েছে, ডেঙ্গি মোকাবিলায় কী করতে হবে। অন্য সব এলাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণেই বলা চলে।’’ দক্ষিণ দমদম পুর-চেয়ারম্যান পারিষদ (স্বাস্থ্য) গোপা পাণ্ডে বলেন, ‘‘আমাদের পুরসভায় ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা সব থেকে বেশি কেন বলা হল, জানি না। তবে এপ্রিল থেকে এ পর্যন্ত দক্ষিণ দমদমে ১১৪ জন ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়েছেন। মে-জুনে ডেঙ্গির প্রকোপ বাড়ায় সংখ্যাটা এত হয়েছে।’’ জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক প্রলয়বাবু জানান, এ দিন পর্যন্ত জেলায় ডেঙ্গি আক্রান্ত ২৫০ জন। মৃত ৮ জন।

বৈঠকে পুরসভাগুলির তরফে ডেঙ্গি মোকাবিলায় ‘দুর্বল’ পরিকাঠামো উন্নত করার আর্জি জানানো হয় ডিএম-কে। পুরকর্তারা জানান, প্রশিক্ষিত কর্মী কম, অর্থ সংস্থানেও রয়েছে ঘাটতি। কামান, ধোঁয়া, তেল ছড়ানোর যন্ত্রপাতিও কম। প্রতিটি পুরসভারই যে সব মহিলা স্বাস্থ্য কর্মীরা বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন, তাঁদের প্রশিক্ষণের মান উন্নত করার বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়। পরে জেলাশাসক বলেন, ‘‘জেলা প্রশাসনের তরফে সব রকম ভাবে যতটা সহযোগিতা করা যায়, তা করা হবে। মহিলা কর্মীদের আরও প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।’’ তবে এ দিন বৈঠকে উপস্থিত একাংশ পুর কর্তা জানান, কয়েকটি পুরসভা জেলা স্বাস্থ্য দফতরে ডেঙ্গি আক্রান্ত রোগীর সংখ্যার রিপোর্ট পাঠাতে দেরি করছে। কেন সেই দেরি, তা-ও জানতে চান জেলাশাসক।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy