E-Paper

কলকাতার কড়চা: ভারত শিল্পের রূপকার যাঁরা

পরবর্তী সময়ে রামকৃষ্ণ আন্দোলনের সঙ্গে সেই শিল্পধারার যোগ গভীর হয়। বিশেষত মনে রাখার, বাগবাজারে শ্রীশ্রীমায়ের স্থায়ী আবাস বা ‘মায়ের বাড়ি’ও সেজে ওঠে নন্দলাল বসুর তৈরি নকশায়।

নিজস্ব প্রতিবেদন

শেষ আপডেট: ১৪ মার্চ ২০২৬ ০৮:২২

অষ্টাদশ শতকের শেষ দিক থেকে ঔপনিবেশিক শাসকরা প্রচার করতে শুরু করেন যে, ভারতের নিজস্ব কোনও উন্নত সাংস্কৃতিক বা শৈল্পিক ঐতিহ্য নেই। ভারতীয়দের চিন্তাধারা ও শিক্ষাব্যবস্থাকে আধুনিকতার ছাঁচে গড়ে তোলাই ছিল তাঁদের উদ্দেশ্য। সাহেবদের এই দৃষ্টিভঙ্গির ফলে সে সময় দেশীয় সব শিল্প-ঘরানার গুরুত্ব ম্লান হয়ে আসছিল। সংস্কৃতির এই চরম সঙ্কটের মুহূর্তে, বিশেষ করে বাংলায়, এক নতুন ধারার শিল্পচেতনার উন্মেষ ঘটে। বাংলার শিল্পী-সমাজ অনুভব করলেন যে, ঐতিহ্যের শিকড়ে ফিরে যাওয়া প্রয়োজন। এই তাগিদ থেকেই অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নেতৃত্বে এক অনন্য শিল্পরীতির যাত্রা শুরু হয়। এই নবজাত শিল্প আন্দোলনের অগ্রসৃতির পথে ভগিনী নিবেদিতা ছিলেন এক অবিস্মরণীয় প্রেরণা— তিনি ছিলেন এই আন্দোলনের বন্ধু, পথপ্রদর্শক। অবনীন্দ্রনাথ তাঁর স্মৃতিকথায় নিবেদিতার এই ভূমিকার কথা শ্রদ্ধায় স্মরণ করেছেন, বিশেষত অজন্তার শিল্প-ঐতিহ্য অধ্যয়নে নন্দলাল বসুকে সেখানে পাঠানোর উদ্যোগের কথা।

পরবর্তী সময়ে রামকৃষ্ণ আন্দোলনের সঙ্গে সেই শিল্পধারার যোগ গভীর হয়। বিশেষত মনে রাখার, বাগবাজারে শ্রীশ্রীমায়ের স্থায়ী আবাস বা ‘মায়ের বাড়ি’ও সেজে ওঠে নন্দলাল বসুর তৈরি নকশায়। নকশাটি বসানোর বিস্তারিত নির্দেশ শিল্পী নিজের হাতে লিখে পাঠিয়েছিলেন। বাংলার মাটি থেকে উঠে আসা ভারতীয় সৃষ্টিশীলতার এই যাত্রাপথ নতুন করে আজকের দর্শকদের সামনে তুলে ধরেছে ‘সঞ্চার: দ্য লাইনস অব বেঙ্গল অ্যান্ড বিয়ন্ড’ শীর্ষক প্রদর্শনী। বাগবাজারে উদ্বোধন কার্যালয়ের সারদানন্দ হল-এ গত ৯ মার্চ থেকে শুরু হওয়া প্রদর্শনীতে রবীন্দ্রনাথ গগনেন্দ্রনাথ ও অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পাশাপাশি দেখা যাবে সুনয়নী দেবী, বিনোদবিহারী মুখোপাধ্যায়, বিনায়ক মাসোজি সুধীর খাস্তগীর রামকিঙ্কর বেইজ গৌরী ভঞ্জ যমুনা সেন প্রমুখ শিল্পীর চিত্রকৃতিও। শিল্প আন্দোলনে ওকাকুরা ও জাপানি শিল্পীদের ভূমিকার কথা স্মরণ করিয়ে দেয় প্রদর্শনীর নিমন্ত্রণপত্রে জাপানি শিল্পীর আঁকা ‘পদ্ম ঝরা ও পদ্ম ফোটার কাহিনি’র ছবিটি। দেবদত্ত গুপ্তের কিউরেট করা প্রদর্শনীটি চলবে ২১ মার্চ পর্যন্ত, প্রতিদিন দুপুর ১টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা।

এই প্রদর্শনীকে কেন্দ্র করে আয়োজিত হচ্ছে একগুচ্ছ অনুষ্ঠানও। প্রদর্শনীর উদ্বোধনের পর ‘মায়ের বাড়ি’ সম্পর্কে প্রাসঙ্গিক আলোচনা করেছেন রামকৃষ্ণ মঠ, বাগবাজারের অধ্যক্ষ স্বামী নিত্যমুক্তানন্দ। পরে প্রদর্শনীর মূল সূত্রটি ধরিয়ে দেন স্বয়ং কিউরেটর। আজ বিকেলে ইন্দ্রজিৎ বসুর বাঁশিবাদনের অনুষ্ঠান। ‘রমাঁ রল্যাঁ ও সমকাল’ নিয়ে ১৮ মার্চ বলবেন অধ্যাপক চিন্ময় গুহ। শিল্প-গবেষক স্বাতী ঘোষ বলবেন ‘নন্দলাল বসু ও শিল্পে আলপনার ভূমিকা’ নিয়ে, ১৯ মার্চ। ২১ মার্চ ‘বিবেকানন্দ, শিল্প ও উদ্বোধন’ বিষয়ে বলবেন স্বামী আর্যেশানন্দ; ভারতশিল্পের পৃষ্ঠপোষক হিসেবে ভগিনী নিবেদিতার ভূমিকা প্রসঙ্গে দেবদত্ত গুপ্ত। প্রতিটি আলোচনাই বিকেল সাড়ে ৪টে থেকে। ছবিতে নন্দলাল বসু-কৃত ‘মায়ের বাড়ি’র নকশা; ওকাকুরার পাঠানো, জাপানি শিল্পীর আঁকা চিত্র; বিনোদবিহারীর হস্তাক্ষরে লেখা রবীন্দ্রগানের চরণ ‘বীণা বাজাও হে মম অন্তরে’— প্রদর্শনী থেকে।

অদ্বিতীয়

প্রথমে ‘রসঘন শ্যাম’, তার পরে ‘শিপ্রা নদীর তীরে’। অতঃপর নিমীলিত চোখ অল্প খুলে শ্রোতাদের দেখে নিয়ে ‘সে দিন চাঁদের আলো’ পুনশ্চ ‘ও দয়াল বিচার করো’। হারমোনিয়াম সহযোগে তবলার সিধে ঠেকায় একের পর এক গান: ‘তোমার ভুবনে ফুলের মেলা’, ‘যেন কিছু মনে কোরো না’, ‘ওই যা আমি বলতে ভুলে গেছি’। শিল্পী উঠতে চাইলেও শ্রোতারা ছাড়েন না, সাজঘর থেকে চিরকুট আসে হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের: “আমরাও আছি হে।” পাড়ার জলসা-মঞ্চে অখিলবন্ধু ঘোষকে (ছবি) নিয়ে মাতামাতির অনেক গল্প। অদ্বিতীয় তাঁর শৈলী, যার আজ পর্যন্ত নকল হয়নি, কিছু গান অনুসরণ ও রি-মেক করে এ-কাল নাম কুড়িয়েছে মাত্র। মৃত্যুর প্রায় চার দশক পরেও প্রতি বছর নিয়ম করে তাঁর স্মরণানুষ্ঠান করে অখিলবন্ধু ঘোষ স্মৃতি সংসদ, নেতৃত্বে মাধবেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। আগামী ২০ মার্চ সন্ধ্যায় আশুতোষ মেমোরিয়াল হল-এ লঘু রাগাশ্রয়ী আধুনিক বাংলা গান শোনাবেন এই সময়ের শিল্পীরা, সবগুলিই অখিলবন্ধু ঘোষেরই গান।

জন্মদিনে

সুচিত্রা মিত্রের ছাত্রী, রবিতীর্থ-র অন্যতম প্রধান কণ্ঠ, কিন্তু নিজস্ব গায়কির গরিমায় অনন্যা ছিলেন পূর্বা দাম। ‘মম দুঃখের সাধন’, ‘কে গো অন্তরতর সে’, ‘তোমার এই মাধুরী ছাপিয়ে’, এমন আরও অনেক রেকর্ডে তার অক্ষয় সিলমোহর। নৃত্যনাটকের গানেও অনন্য: কমলিকা, শ্যামা, কুরূপা-সুরূপার কণ্ঠদানে স্মরণীয় তিনি। শিক্ষাদানে নিরলস, রুচিশীল গায়নের সংজ্ঞাপ্রতিম মানুষটির স্মৃতিরক্ষায় এগিয়ে এসেছেন ছাত্রছাত্রীরা, ২০ মার্চ শুক্রবার সন্ধ্যায় টলি ক্লাবে শিল্পী-কন্যা কোয়েলি সরকার ও ‘পূর্বায়ন’-এর আয়োজনে ৯০তম জন্মদিনের স্মরণ ‘পূর্বাচলের পানে তাকাই’। স্মারক বক্তৃতায় প্রমিতা মল্লিক, অনুরাধা বসুর পরিচালনায় নৃত্যগীতি-আলেখ্য ‘অপরাজিত ওহে’।

রূপে, রূপান্তরে

দার্জিলিঙে পাওয়া গেছে এক মহিলার লাশ। খবর পেয়ে ছুটে আসা মৌ দেখে, এ তার মায়ের মৃতদেহ! মা, মানে প্রীতি সান্যালের সঙ্গে বহু বছর কথা নেই তার। কিন্তু প্রীতি আছেন— এক ‘সাইবর্গ’ রূপে, মৃত্যুর আগে সারা জীবনের স্মৃতি ঢেলে গিয়ে গেছেন অন্যতর অস্তিত্বে। মৌ নিজেও এক বায়োটেক সংস্থার কর্মী, এআই-এর ব্যবহারে মৃতদের রোবটিক চেতন-প্রতিরূপ তৈরি যাদের কাজ। সম্পর্ক, মৃত্যু, রোবট, প্রযুক্তি ঘিরে এক নতুন যাত্রা শুরু হয় মৌয়ের। ডেভিড ফার-এর আ ডেডবডি ইন তাওস অংশুমান ভৌমিকের বঙ্গীকরণে হয়ে উঠেছে দার্জিলিঙের সেই লাশ, ‘সন্তোষপুর অনুচিন্তন’ ও ব্রিটেনের ‘মুকুল অ্যান্ড গেটো টাইগারস’ দলের প্রযোজনায়, মুকুল আহমেদের নির্দেশনায় নাটকটির অভিনয় আজ সন্ধে সাড়ে ৬টায়, অনুচিন্তন আর্ট সেন্টারে।

বোধন

ক্যালেন্ডারে বসন্ত। গরম আসি-আসি করে আসছে না, কালবৈশাখীরও দেরি ঢের। কিন্তু শহর কলকাতায় নৃত্যছন্দে বর্ষার বোধন নিয়ে আসছে নৃত্যশিক্ষা প্রতিষ্ঠান ‘আনন্দ চন্দ্রিকা’। মিয়া কি মলহার, গৌড় মল্লার, মিশ্র মল্লার, কাজরীর সুরে ভাসবে রবীন্দ্র সদন, কালিদাসের ঋতুসংহার এসে মিশবে ভানুসিংহের পদাবলী-তে, তুলসীদাসের রামচরিতমানস-এর কিষ্কিন্ধ্যাকাণ্ডে ‘ঘন ঘমণ্ড নভ গরজত ঘোরা’র গায়ে গায়ে নজরুলের ‘রিমঝিম রিমঝিম ঝিম’, বা রবীন্দ্রনাথের ‘আঁধার অম্বরে প্রচণ্ড ডম্বরু’। বাংলা, সংস্কৃত ও হিন্দি সাহিত্যের অমর বর্ষা-গীতিগুলি জীবন্ত হয়ে উঠবে নৃত্য-গবেষক অধ্যাপক ও শিল্পী অমিতা দত্ত ও ওঁর শিক্ষার্থী-সহযোগীদের কত্থক মুদ্রাভাষে। আজ বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে রবীন্দ্র সদনে ওঁদের নিবেদন— ‘বর্ষা’।

গণিত-দিশারি

আইআইটি খড়্গপুরের গণিত বিভাগের প্রাক্তন প্রফেসর ও বিভাগীয় প্রধান, এটুকু বললে প্রায় কিছুই বলা হয় না জগদীশ চন্দ্র মিশ্র সম্পর্কে। গণিতের দুনিয়ায় তিনি এক নিবেদিতপ্রাণ অধ্যাপক, বায়োম্যাথমেটিক্স ও বায়োমেকানিক্স-এর পরিসরে কাজের সূত্রে বিশ্বখ্যাত। সুদীর্ঘ কর্মজীবনে গণিতচর্চার দিশা দেখিয়ে গিয়েছেন পরপ্রজন্মকে। গত ৭ মার্চ রামকৃষ্ণ মিশন ইনস্টিটিউট অব কালচার, গোলপার্কে এক অনুষ্ঠানে তাঁকে ঘিরে সমবেত হয়েছিলেন ওঁর আত্মজনেরা, উপলক্ষ ওঁর আত্মজীবনী আ ট্রাভেলার ইন অ্যান আননোন ল্যান্ড এবং ওঁর প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য-সঙ্কলন আ ম্যাথমেটিক্যাল উইজ়ার্ড ইন ডিফারেন্ট আইজ় (অ্যালায়েড পাবলিশার্স)-এর প্রকাশ। স্বামী সুপর্ণানন্দ, আইআইইএসটি শিবপুরের প্রাক্তন ডিরেক্টর অজয় কুমার রায়, আইআইটি খড়্গপুরের ডিরেক্টর সুমন চক্রবর্তী ও প্রাক্তন অধ্যাপক উদয় চট্টোপাধ্যায় বললেন ওঁকে নিয়ে।

অন্য পথে

আলপনা আমাদের কাছে চিরাচরিত আবেগময়, পূজাপার্বণ থেকে সামাজিক অনুষ্ঠানে স্থায়ী ঠাঁই তার। আবার আধুনিক কালে ‘ডিজ়াইন’-এর রূপ ধরে বাণিজ্যিক জগতেও প্রসারিত হয়েছে সে, চিত্রশিল্পীরা ডিজ়াইনের ব্যবহার করেছেন তাঁদের ছবির শৈলী নির্মাণে। আর শিল্পী সমীর আইচের বিশেষত্ব— তাঁর চিত্ররচনায় আলপনার ব্যবহার জাগিয়ে তুলেছে অচেনা রূপ, স্বতন্ত্র আঙ্গিক। এর আগে তাঁর সেমি-অ্যাবস্ট্রাক্ট, রিয়ালিস্টিক সিরিজ়, ফুল ও ‘বয়’ সিরিজ়ের কাজে ছিল অন্য মাত্রা, এ বার সে-সবও ছাপিয়ে অচেনা পথে হাঁটা, চেনা শিল্পীর অচেনা অধ্যায়ের শুরু। রীনা দেওয়ানের কিউরেশনে গতকাল দক্ষিণ কলকাতার রিজেন্ট এস্টেটের গ্যালারি বি-কাফ’এ শুরু হল শিল্পীর একক চিত্রপ্রদর্শনী ‘ইন্টারস্টিশিয়াল রিভার্বারেশনস’ (ছবি)। চলবে ৩১ মার্চ পর্যন্ত, দুপুর ৩টে থেকে সন্ধ্যা ৭টা। প্রকাশিত ক্যাটালগও, শিল্প-অনুরাগীদের মূল্যায়নে কাজে দেবে।

একটু হাসুন

কার্টুন হাসায়। তার পরেই, কার্টুন ভাবায়ও। ব্যক্তি, সময় ও সমাজের সৌন্দর্য আর অসঙ্গতি দুই-ই ধরা পড়ে কার্টুনিস্টের তুলি-কলমে; দর্শক-পাঠক যখন দেখেন তা, তাঁর মুখেও ফুটে ওঠে মৃদু বঙ্কিম হাসি, মনে ভাবনার ঢেউ ভাঙে। সুশান্ত রায়চৌধুরীর কার্টুনে যেমন আছেন চার্লি চ্যাপলিন উইলিয়াম শেক্সপিয়ার (ছবি) লরেল অ্যান্ড হার্ডি থেকে লায়োনেল মেসি-নেমার, তেমনই দুষ্টু-মিষ্টি বেড়াল, ফিচেল বাঁদর, দুরন্ত শিশু থেকে চারপাশের তস্য সাধারণ মানুষেরাও, পরিস্থিতি যাদের উপজীব্য করে তুলেছে কার্টুনের। দেবাশীষ দেব ও বিশ্বদেব গঙ্গোপাধ্যায়ের শিষ্য সুশান্তের কার্টুন-বই নানা রঙের কার্টুন প্রকাশ করেছে দক্ষভারতী, সাদা-কালো আর রঙিন কার্টুনের সম্ভার ছোট্ট বইটির পাতায় পাতায়, বাহবা দিয়েছেন শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের মতো লেখকও। আট থেকে আশি খুশিয়াল হাতে তুলে নিতে চাইবে সাগ্রহে।

জীবনচিত্র

ফুঁসে ওঠা সমুদ্র, ভয়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড়, অতি-লবণাক্ততা— সুন্দরবনের মানুষের জীবিকা ও অস্তিত্বসঙ্কটের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে, পাততাড়ি গুটিয়ে মানুষকে চলে আসতে হচ্ছে কলকাতার পথে শহরে। কোড রেড: সুন্দরবনস নামের প্রামাণ্যচিত্রে নির্মাতা সুমন মুখোপাধ্যায় তুলে ধরেছেন সুন্দরবনের কৃষক, বাঘের হানায় মৃত পুরুষদের স্ত্রী, পরিযায়ী শ্রমিকদের জীবনসংগ্রাম— পরিবেশ বিপর্যয় ও প্রশাসনিক অবহেলার মূর্তিমান শিকার যাঁরা। ফোরাম ফর ফিল্ম স্টাডিজ় অ্যান্ড অ্যালায়েড আর্টস আগামী ২০ মার্চ নন্দন ৩’এ দেখাবে ছবিটি, পরে বিকেল ৫টায় শমীক বন্দ্যোপাধ্যায় বলবেন ‘শতবর্ষীয় রক্তকরবী পাঠ’ বিষয়ে। পরদিন বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত মেমোরিয়াল ট্রাস্ট-এর সহ-উদ্যোগে দুপুর ৩টেয় বিক্রমজিৎ রায়ের মাস্টারক্লাস, পরে দেখানো হবে বুদ্ধদেব দাশগুপ্তের ছবি দূরত্ব। ২২ মার্চ বিকেল ৫টায় বর্ষীয়ান তথ্যচিত্রকার অভিজিৎ দাশগুপ্তের প্রামাণ্যচিত্র উইংস অব ডিফায়ান্স।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Akhil Bandhu Ghosh Art

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy