কলকাতার হেস্টিংস চত্বরে বাতিস্তম্ভ পড়ে মৃত শিশুর পরিবারকে আর্থিক সাহায্য করল রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশে সোমবার রাতে মৃতার বাবা এসকে ফিরোজের হাতে চার লক্ষ টাকার চেক তুলে দিলেন মানিকতলার বিজেপি বিধায়ক তাপস রায়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বেহালার বিধায়ক ইন্দ্রনীল খাঁ এবং পুলিশ আধিকারিকেরা।
হেস্টিংসে উড়ালপুলের তলায় পরিবারের সঙ্গে থাকত গুড়িয়া খাতুন নামে ছ’বছরের ওই শিশু। সেখানে উড়ালপুল লাগোয়া একটি ‘হাই মাস্ট’ বাতিস্তম্ভ রয়েছে। জানা গিয়েছে, ওই বাতিস্তম্ভ থেকেই একটি আলো খুলে নীচে পড়ে যায়। তার আঘাতে গুরুতর আহত হয় ছ’বছরের এক শিশু। পরে এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পরিবার এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশের দাবি, বাতিস্তম্ভ থেকে আলো খুলে পড়ার পরে, ঘটনাস্থল থেকে একটিই ‘নাট’ পাওয়া গিয়েছে। ওই আলোগুলি বাতিস্তম্ভে লাগানোর জন্য সাধারণত চারটি ‘নাট’ থাকে। এখানে বাকি তিনটি ‘নাট’ লাগানো ছিল না বলে অভিযোগ তুলছে পরিবার। তাদের দাবি, সেই কারণে বাতিস্তম্ভ থেকে আলোটি খুলে নীচে পড়ে গিয়েছে। নিহত গুড়িয়ার বাবা পেশায় দিনমজুর। তিনি জানান, ভাগ্নের কাছ থেকে খবর পেয়ে তড়িঘড়ি তিনি ঘটনাস্থলে পৌঁছোন। সেখানে তখন রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে ছিল শিশুকন্যা। মাথায় গুরুতর চোট ছিল। দ্রুত তাকে নিয়ে যাওয়া হয় এসএসকেএম হাসপাতালে। কিন্তু চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।