থানার বড়বাবুর গাড়ি চুরির চেষ্টা করার আগে দু’দিন নিখোঁজ ছিলেন ধরা পড়া যুবক। তাঁর জন্য পুলিশে একটি নিখোঁজ ডায়েরিও করা হয়েছিল। শুক্রবার কলকাতা পুলিশের তরফে এই তথ্য জানানো হয়েছে। সেই সঙ্গেই জানা গিয়েছে, ওই যুবককে আপাতত মানসিক রোগীদের হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। গ্রেফতারির পরে তাঁর শারীরিক পরীক্ষা করানোর জন্য পুলিশ নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা তাঁকে ভর্তি করানোর পরামর্শ দেন।
ঘটনার সূত্রপাত বৃহস্পতিবার বিকেলে। প্রগতি ময়দান থানার বড়বাবুর গাড়িটি যে থানা চত্বর থেকে উধাও হয়ে গিয়েছে, তা নজরে আসে বিকেল ৫টা ২৫ মিনিটনাগাদ। এর পরে সিসি ক্যামেরায় ৫টা ৮ মিনিট নাগাদ ধরা পড়ে, ওই গাড়ি চালিয়ে হাফ প্যান্ট, কমলাটি-শার্ট পরা এক যুবকের পালানোর দৃশ্য। ট্র্যাফিক পুলিশ মারফত সারা শহরের ট্র্যাফিক গার্ডগুলিকে সতর্ক করা হয়। এর পরে কসবা থানার কাছ থেকে আটক করা হয় ওই গাড়ি। রাত ৯টা ৪০ মিনিট নাগাদ গ্রেফতার করা হয় যুবককে।
তদন্তে পুলিশ জেনেছে, উত্তর দিনাজপুরের বাসিন্দা ওই যুবক ধূলাগড়ের একটি বিস্কুটের কারখানায় কাজ করতেন। সেখানে গত কয়েক দিন ধরে তাঁর খোঁজ মিলছিল না। সেই কারণেই ওই বিস্কুটের কারখানার তরফে পুলিশে নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়।যুবকের পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে।
সেই সূত্রেই পুলিশ জেনেছে, তাঁর মানসিক সমস্যার চিকিৎসা চলছিল। যদিও কী করে ওই যুবক থানার বড়বাবুর গাড়ি চালু করতে পারলেন, তা নিয়ে রহস্য রয়ে গিয়েছে। গাড়িতে চাবি লাগানো ছিল, না কি তিনি চাবি চুরি করেছিলেন কোনও ভাবে, তা-ও পুলিশের তরফে স্পষ্ট করা হয়নি।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)