E-Paper

দত্তক মা-বাবার আশ্রয়ে সেই শিশু, ফের জট

এর আগের শুনানিতে শিশুটিকে তার মা-বাবার থেকে দূরে রাখার জন্য শিশু কল্যাণ সমিতিকে তুলোধোনা করেছিলেন বিচারপতি কৃষ্ণ রাও এবং বাচ্চাটিকে মা-বাবার কোলেই ফিরিয়ে দিতে বলেন। কিন্তু অন্য এক দম্পতি শিশুটিকে দত্তক নেওয়ায় তার জিম্মা নিয়ে নতুন জট তৈরি হল।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৬:২৭
কলকাতা হাই কোর্ট।

কলকাতা হাই কোর্ট। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

পূর্ব কলকাতায় নর্দমা থেকে উদ্ধার হওয়া শিশুটিকে বৃহস্পতিবার তার মা-বাবার কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি কৃষ্ণ রাও। তিনি জানিয়েছিলেন, ৬ মার্চ আদালতেই শিশুটিকে তার মা-বাবার হাতে তুলে দেওয়া হবে। যদিও, দিন কাটতে না কাটতেই শিশুটিকে নিয়ে তৈরি হল নতুন জটিলতা। যার পরিপ্রেক্ষিতে শুক্রবার ফের এই মামলা শুনানির তালিকায় রাখেন বিচারপতি। মামলাটি উঠলে বিচারপতি রাও বলেন, বৃহস্পতিবার মৌখিক নির্দেশ দেওয়ার পরেও নির্দেশপত্রে সই করে তা কার্যকর করতে পারেননি তিনি। কারণ, শিশু কল্যাণ সমিতির এক আইনজীবী তাঁকে জানান, শিশুটিকে দত্তক দেওয়ার চুক্তি হয়ে গিয়েছে এক দম্পতির সঙ্গে। তাকে ফস্টার কেয়ার থেকে ওই দম্পতির হাতে তুলেও দেওয়া হয়েছে।

বিচারপতি রাও আরও বলেন, ‘‘এ বার এই মামলায় দত্তক নেওয়া ওই দম্পতিকেও যুক্ত করতে হবে। দত্তক সংক্রান্ত সরকারি নির্দেশ ও নথি যাচাই করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’’ এর পরেই তিনি নির্দেশ দেন, এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে আগামী ৯ মার্চ। সে দিন পুনরায় পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট দিতে হবে শিশু কল্যাণ সমিতির সভাপতিকে। এ ছাড়াও, শিশুটির মায়ের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশি তদন্তের সব নথি ও কেস ডায়েরি পেশ করবে রাজ্য। কোর্টের খবর, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি শিশুটিকে দত্তক দেওয়া হয় অন্য এক দম্পতিকে। ২৬ ফেব্রুয়ারি মামলাটি থাকলেও সম্পূর্ণ রিপোর্ট দেয়নি শিশু কল্যাণ সমিতি।

এর আগের শুনানিতে শিশুটিকে তার মা-বাবার থেকে দূরে রাখার জন্য শিশু কল্যাণ সমিতিকে তুলোধোনা করেছিলেন বিচারপতি কৃষ্ণ রাও এবং বাচ্চাটিকে মা-বাবার কোলেই ফিরিয়ে দিতে বলেন। কিন্তু অন্য এক দম্পতি শিশুটিকে দত্তক নেওয়ায় তার জিম্মা নিয়ে নতুন জট তৈরি হল।

(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)

Calcutta High Court child

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy