Advertisement
E-Paper

ছেলের মৃত্যুসংবাদ শুনেই মৃত্যু বৃদ্ধের

পুলিশ সূত্রের খবর, হরিদেবপুর থানা এলাকার চোঙারবোন ধাড়াপাড়ার বাসিন্দা ওই ব্যক্তিকে রবিবার দুপুরে বাড়িরই একটি পরিত্যক্ত ঘরে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৯ জুন ২০২০ ০২:১৪
প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

কয়েক বছর আগে দুর্ঘটনায় তাঁর পায়ের পেশি ও স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। এর পর থেকে মাঝেমধ্যে পায়ে যন্ত্রণা হত। শনিবারও তীব্র যন্ত্রণা শুরু হতে পরিজনেরা ওই ব্যক্তিকে বিদ্যাসাগর স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। জরুরি বিভাগের চিকিৎসকেরা তাঁকে দেখে কিছু ওষুধ দিয়ে ছেড়ে দেন। জানানো হয়, স্নায়ুরোগের চিকিৎসা সেখানে হয় না। ওই ব্যক্তিকে এসএসকেএম বা অন্যত্র নিয়ে যেতে হবে। কিন্তু করোনা সংক্রমণের ভয়ে তাঁকে অন্যত্র নিয়ে যাননি পরিজনেরা।

পুলিশ সূত্রের খবর, হরিদেবপুর থানা এলাকার চোঙারবোন ধাড়াপাড়ার বাসিন্দা ওই ব্যক্তিকে রবিবার দুপুরে বাড়িরই একটি পরিত্যক্ত ঘরে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। খবর দেওয়া হয় থানায়। পুলিশ দেহটি উদ্ধার করে বিদ্যাসাগর স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়। মৃতের নাম গোপাল মণ্ডল (৫৯)।

পরিজনেরা পুলিশকে জানিয়েছেন, যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে আত্মঘাতী হয়েছেন ওই প্রৌঢ়। এ দিকে, গোপালবাবুর মৃত্যুর খবর পেয়েই অসুস্থ হয়ে পড়েন তাঁর বৃদ্ধ বাবা। বাড়িতেই হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় বছর পঁচাশির ভূতনাথ মণ্ডলের।

এ দিন সকালেই ওই থানা এলাকার বিদ্যাসাগর পল্লির একটি বাড়ি থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার হয় এক ব্যক্তির দেহ। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম কাজল দাস (৪৪)। পড়শিরা ডাকাডাকি করে সাড়া না পেয়ে থানায় খবর দেন। পুলিশ দরজা ভেঙে তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত ঘোষণা করা হয়।

প্রতিবেশীরা পুলিশকে জানিয়েছেন, গত কালীপুজোয় তুবড়ি জ্বালাতে গিয়ে মৃত্যু হয় কাজলের একমাত্র ছেলের। তার পর থেকেই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বনিবনা হত না। সম্প্রতি স্ত্রীও বাড়ি ছেড়ে চলে যান। তার পর থেকেই ভেঙে পড়েছিলেন কাজল।

Death Haridevpur
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy