কলকাতার রিজেন্ট পার্কে যুবককে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ। যুবককে গাড়িতে চাপিয়ে এমআর বাঙ্গুর হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলেন ছ’জন। চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করতেই পালিয়ে যান পাঁচ জন। এক জনকে ধরে ফেলে পুলিশ। পরে আরও দু’জন গ্রেফতার হয়। টাকাপয়সা নিয়ে বিবাদের জেরেই খুন বলে প্রাথমিক অনুমান পুলিশের।
মৃতের নাম অমিতরঞ্জন চট্টোপাধ্যায়। বীরভূমের বাসিন্দা তিনি। কলকাতায় এক বেসরকারি সংস্থায় কাজ করতেন। সেই সংস্থার মালিকের নাম সুমন মণ্ডল। জখম অমিতকে এমআর বাঙ্গুর হাসপাতালে নিয়ে যান সুমন-সহ পাঁচ জন। তাঁরা জানান, ওই যুবককে তাঁরা চেনেন না। রাস্তায় পড়েছিলেন। এর পর যুবককে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করতেই পালিয়ে যান পাঁচ জন। তাঁদের মধ্যে সোমনাথ চক্রবর্তী নামে এক জনকে ধরে ফেলে পুলিশ। তাঁকে জেরা করে আরও সুমন এবং দেবাশিস অধিকারীকে আটক করেছে পুলিশ। অধরা এখনও তিন জন।
আরও পড়ুন:
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দেবাশিসের ব্যাগ থেকে ৪০০ টাকা চুরি যায়। এই নিয়ে তিনি অমিতকে দোষারোপ করেন। বচসা শুরু হয়। সন্দেহের বশে অমিতকে মারধর করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের থুতনির নীচে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ভারী কিছু দিয়ে পেটানো হয় বলেও প্রমাণ মিলেছে। মারধরের পর সুমনের গাড়িতে চাপিয়ে অমিতকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করতেই পালিয়ে যান পাঁচ জন। সেখানে বসেছিলেন শুধু সোমনাথ। তিনি কিছু বুঝে ওঠার আগেই বাকিরা পালিয়ে যান। সেই সুযোগে সোমনাথকে ধরে ফেলেন হাসপাতালে মোতায়েন পুলিশ কর্মীরা। রিজেন্ট পার্ক থানায় খবর যায়। পুলিশ এসে আটক করে জেরা করে। এর পর আরও দু’জনকে আটক করা হয়েছে। খুনের কারণ খতিয়ে দেখছে পুলিশ। বাকিদের খোঁজ চলছে।