ক্ষমতা দখলের পরে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদের প্রথম সাধারণ সভা হল। বৃহস্পতিবার এই সভায়, দখল হওয়া জমি, জলাশয়, বিভিন্ন সম্পত্তি উদ্ধারের সিদ্ধান্ত হয়েছে।
বিভিন্ন এলাকায় থাকা জেলা পরিষদের মালিকানাধীন অনেক জমি ও জলাশয় ‘লিজ’ দেওয়া হয়। তা থেকে আয় হয় জেলা পরিষদের। কিন্তু সম্পত্তির বেশ কিছু বেদখল হয়ে রয়েছে বলে অভিযোগ। ওই সব জমি-জলাশয় দখল মুক্ত করা হবে। জেলা পরিষদের সম্পত্তি মূল্যায়ন করে আয় বৃদ্ধির লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিজেপি নেতৃত্ব।
প্রথম সভায় সভাধিপতি বামদেব গুছাইত, সহ-সভাধিপতি বাঁশরী পণ্ডিত এবং বিজেপির সদস্যরা ছিলেন। ছিলেন কাঁথির সাংসদ সৌমেন্দু অধিকারী, জেলার অধিকাংশ বিজেপি বিধায়ক, জেলাশাসক নিরঞ্জন কুমার। সভায় বিধানসভা ভোটের আগে সাধারণ সভা ও বিভিন্ন স্থায়ী সমিতির সভার সিদ্ধান্ত পর্যালোচনা করা হয়। রাস্তাঘাট, পানীয় জল, নিকাশি এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হয়। জমি, জলাশয়, ফেরিঘাট, কোলাঘাট তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ছাই খাদান, পাঁশকুড়া আনাজ বাজার প্রভৃতি থেকে বিপুল আয় হয় জেলা পরিষদের। বেদখল সম্পত্তি ফিরিয়ে এনে আয় বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। পরিষদের সব সম্পদের সামগ্রিক মূল্যায়নের সিদ্ধান্তও হয়।
সভার পর সাংসদ সৌমেন্দু বলেন, ‘‘তহবিল বৃদ্ধির জন্য জেলা পরিষদের যে সব জমি-জলাশয় বেদখল হয়ে আছে সেগুলি চিহ্নিত করা ও দখল মুক্ত করার বিষয়ে সভায় আলোচনা হয়েছে। জেলার রাস্তাঘাট ও নিকাশি ব্যবস্থা উন্নয়ন-সহ আগামীদিনের বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।’’
সভাধিপতি বামদেব বলেন, ‘‘বিভিন্ন পরিকাঠামো-সহ সামগ্রিক উন্নয়নে পরিষদের সঙ্গে সমস্ত দফতরের সমন্বয় করে কাজ করা হবে। ত্রিস্তর পঞ্চায়েতের পদাধিকারী জনপ্রতিনিধি, সাংসদ, বিধায়কদের সঙ্গে আগামী সপ্তাহে কোলাঘাটের বলাকা মঞ্চে সভা করা হবে।’’
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)