Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

১৮ মে ২০২২ ই-পেপার

URL Copied
Something isn't right! Please refresh.

নতুন আক্রান্ত পাঁচ জনই পরিযায়ী 

স্বাস্থ্য ভবন সূত্রে খবর, এই নিয়ে শুধু মেদিনীপুর সদর ব্লকেই ১২ জন করোনায় আক্রান্ত হলেন। সকলেই পরিযায়ী শ্রমিক।

নিজস্ব প্রতিবেদন
২৩ জুন ২০২০ ০৪:২৫
Save
Something isn't right! Please refresh.
প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

Popup Close

নতুন করে ৪ জন করোনা আক্রান্তের হদিস মিলল মেদিনীপুর সদর ব্লকে। গোয়ালতোড়েও একজনের করোনা রিপোর্ট পজ়িটিভ এসেছে। খড়্গপুর শহরে নতুন করে পজ়িটিভ হয়েছেন দু’জন। জেলা স্বাস্থ্যভবনের এক সূত্রে খবর, মেদিনীপুর সদর ও গোয়ালতোড়ের ওই আক্রান্তরা সকলেই পরিযায়ী শ্রমিক। সম্প্রতি তাঁরা ভিন্ রাজ্য থেকে বাড়ি ফিরেছিলেন।

মেদিনীপুরের (সদর) বিডিও ফারহানাজ খানম বলেন, ‘‘পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের মধ্যেই রয়েছে। উদ্বেগের কিছু নেই। করোনা মোকাবিলায় যে যে পদক্ষেপ করার, ব্লকে সবই করা হচ্ছে।’’ জানা যাচ্ছে, আক্রান্ত ৪ জনের মধ্যে ৩ জন পাথরার মালিদার বাসিন্দা। ১ জন পাঁচখুরির ছেড়ুয়ার বাসিন্দা। তাঁদের মেদিনীপুরের লেভেল- ১ করোনা হাসপাতালে (আয়ুষ) ভর্তি করা হয়েছে। এঁদের কারওরই উপসর্গ নেই। আক্রান্তদের প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ সংস্পর্শে আসাদের নিভৃতবাসে রাখা হয়েছে।

স্বাস্থ্য ভবন সূত্রে খবর, এই নিয়ে শুধু মেদিনীপুর সদর ব্লকেই ১২ জন করোনায় আক্রান্ত হলেন। সকলেই পরিযায়ী শ্রমিক। তাঁরা অবশ্য সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। জেলা প্রশাসনের এক সূত্র মনে করিয়ে দিচ্ছে, পশ্চিম মেদিনীপুরের যাঁরা করোনা সংক্রমিত তাঁদের বেশিরভাগই পরিযায়ী শ্রমিক। তাঁদের পরীক্ষা হচ্ছে। তাই সংক্রমণ বাড়ছে। আক্রান্তদের সরাসরি সংস্পর্শে যাঁরা এসেছেন, তাঁদেরও করোনা পরীক্ষা করা হবে।

Advertisement

গোয়ালতোড়ে যাঁর করোনা রিপোর্ট পজ়িটিভ এসেছে তাঁর বাড়ি বারমেসিয়া এলাকায়। আক্রান্তের বয়স ২০। তিনি কিছুদিন আগেই মুম্বই থেকে ফিরে নিভৃতাবাসে ছিলেন। ১৯ জুন চন্দ্রকোনা রোডের দ্বারিগেড়িয়া গ্রামীণ হাসপাতালে তাঁর লালারসের নমুনা সংগ্রহ হয়। রবিবার রাতে সেই রিপোর্ট আসে। গোয়ালতোড়ের বিডিও সোফিয়া আব্বাস বলেন, ‘‘মুম্বই ফেরত ওই যুবকের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। প্রশাসন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করছে।’’ এর আগেও গোয়ালতোড়ের এক পরিযায়ী শ্রমিকের করোনা পরীক্ষার প্রথম রিপোর্ট পজ়িটিভ এলেও দ্বিতীয় রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছিল।

খড়্গপুর শহরের বিদ্যাসাগরপুরের বাসিন্দা এক মহিলা ও তাঁর ছেলেও করোনা আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। তাঁরা অবশ্য পরিযায়ী শ্রমিক নন। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই মহিলার স্বামী খড়্গপুরের একটি মেটালিক্স কারখানার জেনারেল ম্যানেজার। তাঁর করোনা উপসর্গ দেখা যাওয়ায় কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে রির্পোট পজ়িটিভ আসে। তাঁর স্ত্রী ও ছেলে তাঁকে দেখতে গিয়েছিলেন। সেখানে তাঁদেরও লালারসের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। সেই রিপোর্ট পজ়িটিভ আসে।



Something isn't right! Please refresh.

আরও পড়ুন

Advertisement