টেন্ডার দুর্নীতি-কাণ্ডে গ্রেফতার করা হল হলদিয়া পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান শ্যামল আদকের ‘ঘনিষ্ঠ’ হিসাবে পরিচিত প্রাক্তন কাউন্সিলার সত্যব্রত দাসকে। বুধবার তাঁকে হলদিয়ার ভবানীপুর থানায় ডেকে দীর্ঘ ক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এর পর তাঁকে গ্রেফতার করা হয় বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। ওই একই অভিযোগ রয়েছে হলদিয়ার প্রাক্তন চেয়ারম্যান শ্যামলের বিরুদ্ধেও। তাঁকে ধরতে ইতিমধ্যেই হুলিয়া জারি করা হয়েছে বলে জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। বৃহস্পতিবার সত্যব্রতকে হাজির করা হয় আদালতে। তাঁকে ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
হলদিয়া পুরসভায় টেন্ডার নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে পূর্ববর্তী তৃণমূল পরিচালিত বোর্ডের বিরুদ্ধে। তাতে নাম জড়ায় বোর্ডের প্রাক্তন চেয়ারম্যান শ্যামলের। শুভেন্দু অধিকারীর ‘ঘনিষ্ঠ’ হিসাবে পরিচিত শ্যামল। তিনি গত বিধানসভা নির্বাচনের আগেই যোগ দিয়েছিলেন বিজেপিতে। তাঁর ‘ঘনিষ্ঠ’ সত্যব্রতও বিজেপিতে যোগ দেন। ভবানীপুর থানা সূত্রে জানা গিয়েছে, স্থানীয় এক নির্মাণ সংস্থার অভিযোগ, তাদের নাম করে প্রায় ৯০ লক্ষ টাকার ভুয়ো কাজ দেখানো হয়েছে। এই অভিযোগের তদন্তে বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করে জেলা পুলিশ। হলদিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শ্রদ্ধা পাণ্ডের নেতৃত্বে ১২ সদস্যের দল শুরু করে তদন্ত।
আরও পড়ুন:
-
বিসিসিআই-এর পর আইসিসি-র শিকেও ছিঁড়ল না সৌরভের, চেয়ারম্যান পদে নাম পাঠাচ্ছে না বোর্ড
-
অমিত-পুত্রের জন্যই বঞ্চিত সৌরভ, নাম না করে আবার অভিযোগ ‘রাজনীতিক’ মমতার
-
সপ্তাহের শুরুতেই ঘূর্ণিঝড়ের ভ্রুকুটি, কবে কোথায় কতটা বৃষ্টি হবে? জানাল হাওয়া অফিস
-
‘নিয়ম মেনেই নিয়োগ হবে’, টেট আন্দোলনের তিন দিন পরও নিজেদের অবস্থানে অনড় পর্ষদ সভাপতি
তদন্তে নেমে হলদিয়া পুরসভা থেকে প্রায় দেড় হাজার ফাইল বাজেয়াপ্ত করা হয়। সেই তথ্য বিশ্লেষণ করেই তৎকালীন দায়িত্বপ্রাপ্ত কাউন্সিলরদের ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়। গত কাল ১ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর সত্যব্রতকে ভবানীপুর থানায় ডাকা হয়। সত্যব্রত সেই সময় টেন্ডার কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন। দীর্ঘ জেরার পর অবশেষে ভবানীপুর থানার পুলিশ সত্যব্রতকে গ্রেফতার করে।