Advertisement
E-Paper

বাংলার চর্চা বাড়ুক, বার্তা বইমেলায়

‘আমরা একটি জাতি, যারা দেশের স্বাধীনতার পাশাপাশি ভাষার জন্যও প্রাণ দিয়েছি।’ শনিবার সন্ধ্যায় খড়্গপুর বইমেলার সূচনায় মাতৃভাষার চর্চায় উৎসাহ বাড়াতে এমনই মন্তব্য করলেন বাংলাদেশের উপ-হাইকমিশনার জকি আহাদ। জানান, মেলায় এসে তাঁর একুশে ফেব্রুয়ারির কথা মনে পড়ছে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৩ জানুয়ারি ২০১৬ ০১:০৩
খড়্গপুর বইমেলার উদ্বোধনী মঞ্চে বিশিষ্টরা। নিজস্ব চিত্র।

খড়্গপুর বইমেলার উদ্বোধনী মঞ্চে বিশিষ্টরা। নিজস্ব চিত্র।

‘আমরা একটি জাতি, যারা দেশের স্বাধীনতার পাশাপাশি ভাষার জন্যও প্রাণ দিয়েছি।’ শনিবার সন্ধ্যায় খড়্গপুর বইমেলার সূচনায় মাতৃভাষার চর্চায় উৎসাহ বাড়াতে এমনই মন্তব্য করলেন বাংলাদেশের উপ-হাইকমিশনার জকি আহাদ। জানান, মেলায় এসে তাঁর একুশে ফেব্রুয়ারির কথা মনে পড়ছে।

এ দিন বিদ্যাসাগর আবাসন (টাউন হল) প্রাঙ্গণে বইমেলার উদ্বোধনে আহাদ ছাড়াও ছিলেন সাহিত্যিক অমর মিত্র, পথিক গুহ, বিনোদ ঘোষাল। ১৬ তম বর্ষে মেলার বার্তা— ‘একা নয় একসাথে, এ বার বইমেলাতে’। প্রায় ৬০টি স্টল নিয়ে মেলা চলবে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত।

প্রয়াত সাংসদ নারায়ণ চৌবের বড় ছেলে গৌতম বাবা ও দুষ্কৃতীদের গুলিতে নিহত ভাই মানসের স্মৃতিতে ট্রাস্ট গড়ে বইমেলার পরিকল্পনা করেছিলেন। ২০০০ সালে ১৮টি স্টল নিয়ে যাত্রা শুরু করে বইমেলা। ক্রমে বেড়েছে মেলার বহর। এই বইমেলায় এসেছেন সুচিত্রা ভট্টাচার্য, মহাশ্বেতা দেবী, শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়, সমরেশ মজুমদার, হর্ষ দত্তের মতো কবি-সাহিত্যিক থেকে নচিকেতা চক্রবর্তী, অনুপম রায়, মমতা শঙ্কর, আকৃতি কক্করের মতো সাস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা।

গিরিময়দান রেলস্টেশন সংলগ্ন বিদ্যাসাগর আবাসন প্রাঙ্গণে ‘আনন্দ’, ‘ন্যাশনাল বুক ট্রাস্ট’ (এনবিটি), ‘দে’জ’, ‘পুনশ্চ’-র মতো প্রকাশনা সংস্থা বইয়ের সম্ভার নিয়ে হাজির হয়েছে। ছোটদের কাছে বইয়ের গুরুত্ব বাড়ানোর চেষ্টা হয়েছে ‘শিশুদের মেলা সকলের সাথে’ এই বার্তা সামনে রেখে। ‘আবোল-তাবোল’-এর চরিত্র নিয়ে পৃথক প্যাভিলিয়নও হয়েছে। এই উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন এ দিনের অতিথিরা। প্রাবন্ধিক পথিক গুহ বলেন, “এখানে অনেক মায়েরা বসে আছেন যাঁরা ছেলেরা স্কুল থেকে বাড়ি ফিরলে টিফিন খেয়েছে কি না জিজ্ঞাসা করেন। একজন বিজ্ঞানীর কথা মনে পড়ছে, যিনি স্কুল থেকে ফিরলে তাঁর মা জানতে চাইতেন, তিনি স্কুলে কোনও বুদ্ধিমান প্রশ্ন করেছেন কিনা বা ভাল বই পড়েছেন কিনা।” এই মানসিকতা অভিভাবকদের থাকা উচিত বলে পথিকবাবুর অভিমত।

এই মেলার বাড়তি আকর্ষণ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। ৯ জানুয়ারি আসছেন মুম্বইয়ের সঙ্গীতশিল্পী অভিজিৎ। শেষ দিনের আকর্ষণ রূপম ইসলামের ‘ফসিলস’ ব্যান্ডের অনুষ্ঠান। আজ, রবিবার কবি সম্মেলন ও গল্পপাঠের আসরের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে ‘সাংবাদিকতা’ শীর্ষক আলোচনাসভাও হবে।

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy