পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে ওঁরা এসেছিলেন চন্দ্রকোনা রোডে। কেউ দু’দশক, কেউ দেড় দশক আগে। ধীরে ধীরে এখানেই স্থায়ী হয়ে গিয়েছেন। অনেকে সংসারও করেছেন। এসআইআর আবহে ছন্দ কেটেছে তাঁদের জীবনে। এখন দিনের অনেকটা সময় যাচ্ছে নথি খুঁজতেই।
স্ত্রী ও এক সন্তান নিয়ে থাকেন গ্যারেজের কর্মী সুরেশ সাউ। সুরেশ দু'দশক আগে বিহার থেকে কাজের খোঁজে চন্দ্রকোনা রোডে এসেছিলেন। এখানেই থেকে গিয়েছেন। হঠাৎ করে চিন্তার মেঘ তাঁর পরিবারে। গত দু'দিন ধরে কাজেও যেতে পারছেন না। কেন? বছর চল্লিশের সুরেশের উত্তর, "এসআইআরের জন্য নথি জোগাড় করতেই তো দিন চলে যাচ্ছে। দেশ বাড়ির সঙ্গে যোগাযোগ নেই। বাবা নেই, মা থাকেন আর এক ভাইয়ের কাছে। তাঁরা কোথায় থাকেন তাও জানি না। ২০০২ সালে বাবা-মায়ের নাম ভোটার তালিকায় ছিল কি না বুঝতে পারছি না।’’ ট্রাক চালক বিজয় সিংহ ঝাড়খণ্ড থেকে এসেছিলেন। অবিবাহিত বিজয় বছর দশেক ধরে চন্দ্রকোনা রোডে আছেন। তাঁর বাবা-মা ঝাড়খণ্ডের ভোটার। ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় তাঁদের নাম খোঁজার চেষ্টা করছেন বিজয়। বলছেন, "পঞ্চায়ত থেকে এখানকার স্থায়ী বাসিন্দার সার্টিফিকেট নিয়ে এসআইআরের ফর্মের সঙ্গে জমা দেব। তার পর শুনানিতে ডাকলে যাব।"
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) শুরু হয়ে গিয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। গ্রাম থেকে শহর, বাড়িতে বাড়িতে পৌঁছোতে শুরু করেছেন কমিশনের বুথ স্তরের আধিকারিকেরা (বিএলও)। শুরু হয়ে গিয়েছে এনুমারেশন ফর্ম বিলিও।
- শুধু পশ্চিমবঙ্গেই নয়, দেশের আরও ১১টি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলেও একই সঙ্গে শুরু হয়েছে এসআইআরের কাজ। যাঁরা কর্মসূত্রে বাইরে থাকেন, তাঁদের জন্য অনলাইনে এনুমারেশন ফর্ম পূরণ করার ব্যবস্থা করেছে কমিশন।
-
ট্রাইবুনালে নিষ্পত্তি হওয়া বুথভিত্তিক তালিকা প্রকাশ করে দিল নির্বাচন কমিশন, নাম দেখা যাবে কমিশনেরই ওয়েবসাইটে
-
অন্ধকারে ঢিল ছুড়বে না সুপ্রিম কোর্ট! এসআইআর মামলায় ফর্ম-৬ নিয়ে তৃণমূলের দাবি ওড়ালেন প্রধান বিচারপতি
-
ট্রাইবুনালে কাজই শুরু হয়নি, প্রবেশেও বাধা! নতুন মামলা সুপ্রিম কোর্টে, কী হচ্ছে জানতে চাইবেন প্রধান বিচারপতি কান্ত
-
ভোটার ট্রাইবুনালের কাজ শুরু! মোথাবাড়ি মাথায় রেখে কঠোর নিরাপত্তা, দফতর দর্শনে গিয়ে কী দেখল আনন্দবাজার ডট কম
-
পরিকাঠামো তৈরি, সোমবারেই ট্রাইবুনালে শুরু হয়ে যাবে শুনানি! রবিতে জোকার অফিস ঘুরে দেখে সিদ্ধান্ত নিলেন প্রাক্তন বিচারপতিরা
(এই প্রতিবেদনটি আনন্দবাজার পত্রিকার মুদ্রিত সংস্করণ থেকে নেওয়া হয়েছে)