২০১১ সালে রাজ্যে পালাবদলের পর থেকে জেলায় বহু বার তৃণমূলের বিরুদ্ধে তাদের পার্টি অফিস দখলের অভিযোগ তুলেছে সিপিএম। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে সেই সিপিএমের বিরুদ্ধেই পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুরে পার্টি অফিস দখলের অভিযোগ তুলল শাসকদল। তা ঘিরে চা়ঞ্চল্য ছড়িয়েছে ঘাটালের তৃণমূল সাংসদ দীপক অধিকারীর (দেব) মহিষদা গ্রামে। ঘটনাচক্রে, এই কেশপুরেই কয়েক দিন আগে জনসভা করে এসেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এলাকায় উত্তেজনা থাকায় পুলিশ বাহিনীও মোতায়েন করা হয়। যদিও পার্টি অফিস পুনর্দখলের অভিযোগ অস্বীকার করেছে সিপিএম।
শনিবার সন্ধ্যায় ওই পার্টি অফিস থেকে তৃণমূলকর্মীদের বার করে তালা লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সিপিএমের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হওয়ায় পুলিশ আসে ঘটনাস্থলে। সিপিএমের কেশপুর-১ এরিয়া কমিটির সদস্য অমিত দোলইয়ের দাবি, তৃণমূলে সরকারে আসার পরেও নিজেরা এলাকায় কোনও পার্টি অফিস তৈরি করতে পারেনি। উল্টে তারা সিপিএমের পার্টি অফিস দখল নিয়েছে। মাঝে ২০১৬ এবং ২০২১ সালে নির্বাচনের সময় সিপিএমকে বেশ কিছু পার্টি অফিস ফেরানো হলেও নির্বাচনের পর আবার তা দখল নেয় তৃণমূল। দলের জেলা সম্পাদক সুশান্ত ঘোষ অবশ্য এ বিষয়ে কিছু জানেন না বলেই দাবি করেছেন। তিনি বলেন, ‘‘পার্টি অফিস দখল নেওয়ার ব্যাপারে আমি কিছু জানি না। বিষয়টি কেশপুরের নেতৃত্ব দেখছেন।’’ পরে যদিও পুলিশের হস্তক্ষেপে পার্টি অফিসটি খোলা হয়।
এ বিষয়ে তৃণমূলের জেলা কো-অর্ডিনেটর অজিত মাইতি বলেন, ‘‘জোর করে একটা মাতাল সিপিএমের মদতে ওই পার্টি অফিসে তালা লাগিয়ে দিয়েছে। কর্মীরা কিছু ব্যবস্থা নিতেই পারত। কিন্তু তাঁরা পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন। ওঁদের পার্টি অফিসে বসার মতো লোকই নেই। তার পরেও ওঁরা পার্টি অফিস দখল করছে!’’