গান-নাটক-ক্রিকেট-ফুটবল নানা অনুষ্ঠানে পালিত হল জাতীয় ভোটার দিবস। একটি ভোটের মূল্য কতখানি, তা বোঝাতে সোমবার নানা আয়োজন করা হয়েছিল। তার অন্যতম ছিল পথনাটিকাটি, ‘মহুলবনির ভোট পরব।’ ১৮ বছর হলেই যে ভোটার তালিকায় নাম লেখাতে হবে, বৃদ্ধ থেকে অন্ধ— প্রত্যেকেই যেন ভোট দেন, সেই নাটকে।
জাতীয় ভোটার দিবসের প্রধান অনুষ্ঠানটি হল মেদিনীপুর কালেক্টরেটে। সেখানে উপস্থিত ছিলেন জেলাশাসক জগদীশপ্রসাদ মিনা, অতিরিক্ত জেলাশাসক (সাধারণ) আর অর্জুন-সহ জেলার সব প্রশাসনিক কর্তারা। ডাকা হয়েছিল বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের। এ দিনই কয়েকজন নতুন ভোটারের হাতে সচিত্র পরিচয়পত্র তুলে দেওয়া হয়। দীর্ঘদিন ধরে ভোটার তালিকা সংশোধন ও নতুন ভোটারদের কাজ চলেছে। সেই কাজে জেলার তিনজন আধিকারিক সাফল্যও দেখিয়েছেন। এ দিন তাঁদের হাতেও পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। মেদিনীপুর বিধানসভা এলাকায় যথা সম্ভব নির্ভুল তালিকা তৈরির জন্য পুরস্কার পেয়েছেন মেদিনীপুরের মহকুমা শাসক আফতাব আলম, নতুনদের নাম তোলায় সাফল্য দেখিয়ে পুরস্কার পেয়েছেন দাঁতন বিধানসভা কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা সুদীপ্ত দেবনাথ আক গড়বেতা বিধানসভার দায়িত্বে থাকা সুমন্ত রায় ভোটার তালিকায় পুরুষ মহিলার হার প্রায় কাছাকাছি রেখে পুরস্কৃত হয়েছেন। এ দিনই নতুন ভোটারদের নিয়ে মেদিনীপুর অরবিন্দ স্টেডিয়ামে হল মহিলা ক্রিকেট ও ঘাটালে হয়েছে ফুটবলের প্রদর্শনী ম্যাচ। জেলাশাসক বলেন, “১৮ বয়স হলেই প্রত্যেক ব্যক্তির ভোটার তালিকায় নাম তোলা উচিত। সেটা খেয়াল রাখতে হবে। আর নির্বাচনের সময় প্রত্যেকেই ভোট দিতে যাবেন। এটা গণতান্ত্রিক অধিকার। এই অধিকার প্রয়োগ করতে হবে।”