Advertisement
E-Paper

পুর নির্বাচনের ঘণ্টা বাজতেই রাজ্যের নতুন নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ করল নবান্ন, প্রায় এক বছর ফাঁকা পড়ে থাকা ওই পদে কাকে আনল শুভেন্দুর সরকার

এ বছরের মধ্যেই রাজ্যে পুরভোট হয়ে যেতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তার আগে ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস সেরে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে নতুন সরকারের।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৫ জুন ২০২৬ ১৪:৫৬
রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দফতর।

রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দফতর। — ফাইল চিত্র।

রাজ্যের নতুন নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ করল নবান্ন। আইএএস কৃষ্ণ গুপ্তকে রাজ্য নির্বাচন কমিশনার হিসাবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি এত দিন অতিরিক্ত মুখ্যসচিব হিসাবে সমবায় দফতরের দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন। প্রায় এক বছর ধরে ফাঁকা পড়ে থাকা রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের পদে এ বার তাঁকে নতুন নিয়োগ করল শুভেন্দু অধিকারীর সরকার।

রাজ্যে ইতিমধ্যে পুরসভা ভোটের ঘণ্টা বাজিয়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু। ইঙ্গিত দিয়েছেন, বছরের মধ্যেই রাজ্যে পুরভোট হয়ে যাবে। জানিয়েছেন, ডিসেম্বরের মধ্যে কলকাতায় নতুন পুরবোর্ড গঠিত হবে। হাওড়া পুরসভা নিয়েও একই বার্তা দিয়েছেন তিনি। এ অবস্থায় রাজ্যে নতুন নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ, পুরসভা এবং পঞ্চায়েত ভোট পরিচালনার দায়িত্ব থাকে রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের হাতেই।

এর আগে রাজ্যের নির্বাচন কমিশনার ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত আমলা রাজীব সিংহ। পূর্বতন সরকারের মুখ্যসচিব ছিলেন তিনি। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘ঘনিষ্ঠ’ আমলাদের মধ্যে একজন ছিলেন রাজীব। ২০২০ সালে মুখ্যসচিব পদ থেকে অবসর নেওয়ার পরে, ২০২৩ সালে তাঁকে রাজ্য নির্বাচন কমিশনার হিসাবে নিযুক্ত করা হয়। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময়ে দায়িত্বে ছিলেন তিনিই। নির্বাচনী অশান্তির সময়ে তাঁর ভূমিকা নিয়ে ‘বিতর্কও’ হয়েছিল সে সময়ে। গত বছরের মাঝামাঝি সময়ে তাঁর মেয়াদ শেষ হয়। সেই থেকে রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের পদ ফাঁকাই পড়ে ছিল। কাজকর্ম সামলাচ্ছিলেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সচিব নীলাঞ্জন সান্ডিল্য। এত দিনে রাজীবের উত্তরসূরি নিয়োগ করল নতুন সরকার।

রাজ্যে পালাবদলের পর কলকাতা পুরসভার মেয়র পদে ইস্তফা দিয়েছেন ফিরহাদ হাকিম। ভেঙে গিয়েছে পুরবোর্ডও। বর্তমানে পুরসভার কাজকর্ম সামালানোর জন্য পুর কমিশনার স্মিতা পাণ্ডেকে প্রশাসক হিসাবে নিযুক্ত করেছে সরকার। তবে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু ইতিমধ্যে জানিয়েছেন, পুরসভার মতো প্রতিষ্ঠানগুলিকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে চায় না নতুন সরকার। তাই দ্রুত নির্বাচন হবে। ৬ মাসের মধ্যে নতুন নির্বাচন পুর বোর্ড গঠনের কথাও বলেছেন তিনি।

পুরভোটের আগে ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাসের কাজও সেরে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে নতুন সরকারের। সম্প্রতি কলকাতা পুরসভায় গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানেই এ কথা জানান তিনি। শুভেন্দুর বক্তব্য, এক এক ওয়ার্ডে এক এক রকম সংখ্যার ভোটার আছে। তাই ওয়ার্ডগুলির দ্রুত পুনর্বিন্যাস করা প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি। উল্লেখ্য, পুরসভার আসন পুনর্বিন্যাস করতে হলে, সেই কাজেরও দায়িত্ব থাকে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের উপর। এ অবস্থায় রাজ্যের নতুন নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ করে ফেলল বিজেপির সরকার।

State Election Commission West Bengal government

সঠিক খবর পেতে গুগ্‌লে বেছে নিন আনন্দবাজার ডট কম

ফলো করুন আমাদের মাধ্যমগুলি

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy