গৃহশিক্ষিকার কাছে পড়তে গিয়ে শ্লীলতাহানির শিকার হয়েছে ১০ বছরের ছাত্রী। এমনই অভিযোগ উঠল উত্তর ২৪ পরগনার হালিশহরে। অভিযুক্ত চতুর্থ শ্রেণির এক পড়ুয়া। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা এলাকায়। ‘নির্যাতিত’ ছাত্রীটিকে ভর্তি করানো হয়েছে কল্যাণী এমসে।
মেয়েটির পারিবারের দাবি, গত শুক্রবার সন্ধ্যায় বাড়ির কাছে এক গৃহশিক্ষিকার কাছে পড়তে গিয়েছিল সে। রাতে বাড়ি ফেরার পর মাকে শারীরিক অস্বস্তির কথা জানায় সে। নাবালিকার মায়ের নজরে পড়ে, মেয়ের যৌনাঙ্গ থেকে রক্তক্ষরণ হচ্ছে। মেয়ের কাছে ঘটনার বিবরণ শুনে সেই রাতেই পরিবারের তরফে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়।
রবিবার সকালে নির্যাতিতার বাড়িতে যান বীজপুরের বিজেপি প্রার্থী সুদীপ্ত দাস। অন্য দিকে, নাবালিকার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করানোর সিদ্ধান্ত নেন বাড়ির লোকজন। কল্যাণী এমস চত্বরে দাঁড়িয়ে বিজেপি প্রার্থীর অভিযোগ, ঘটনার পর দু’দিন পেরিয়ে গেলেও স্থানীয় প্রশাসন বা শাসকদলের কেউ মেয়েটির খোঁজ নেননি। তাঁর অভিযোগ, রাজ্যে নানা কাণ্ডের মতো এমন জঘন্য ঘটনাকেও চাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে তৃণমূল। সুদীপ বলেন, “এই পরিবার কোনও রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত নয়। কিন্তু আমারও তো সন্তান আছে। মানবিকতার খাতিরেই পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে।” তৃণমূলের তরফে জানানো হয়েছে, ইতিমধ্যে পুলিশ বিষয়টি দেখছে। ভোটের আগে এ নিয়ে রাজনীতির চেষ্টা করছেন বিজেপি প্রার্থী।
আরও পড়ুন:
পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তদন্ত শুরু করেছে তারা। অভিযুক্ত কিশোরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।