১৪ ফেব্রুয়ারি, ‘ভ্যালেন্টাইন্স ডে’-তে কোথাও একটা বেড়াতে নিয়ে যেতে হবে। কিশোরী প্রেমিকার আবদারে প্রথমে ‘হ্যাঁ’ বলেছিলেন যুবক। কিন্তু ১৩ ফেব্রুয়ারি জানিয়ে দেন কোথাও যাওয়া হচ্ছে না। ঝগড়াঝাঁটি হয় প্রেমিক-প্রেমিকার। তার পর রাতে ঘর থেকে মেয়ের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করল পরিবার। মুর্শিদাবাদের জলঙ্গির ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে এলাকায়।
মৃতার বয়স মাত্র ১৩ বছর। স্থানীয় একটি স্কুলে অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী ছিল সে। প্রেমিকের সঙ্গে ঝগড়া করে শুক্রবার রাতে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে সে। মেয়ের পরিণতির জন্য পরিবার দায়ী করেছে এক যুবককে। তাদের দাবি, নাবালিকার সঙ্গে স্থানীয় এক যুবকের ঘনিষ্ঠতা ছিল। তিনি-ই স্কুলছাত্রীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দিয়েছেন। যদিও পুলিশ সূত্রে এখনও অভিযুক্তের গ্রেফতারি বা আটকের খবর মেলেনি।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এলাকারই যুবক আতিফ শেখের (নাম পরিবর্তিত) সঙ্গে প্রণয়ঘটিত সম্পর্ক ছিল রিনা খাতুনের (নাম পরিবর্তিত)। শনিবার ‘ভ্যালেন্টাইন্স ডে’-তে দু’জনে মিলে বাইরে ঘুরতে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন। কিন্তু বাড়ির চাপে পরে পরিকল্পনা বদলান যুবক। কিশোরী প্রেমিকা তাতেই মনঃক্ষুণ্ণ হয়।
আরও পড়ুন:
শুক্রবার বিকেলে প্রেমিকের সঙ্গে দেখা করে বাড়ি ফিরে নিজের ঘরে ঢুকে যায় রিনা। কিশোরীর ভাই দিদিকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে বাবা-মাকে ডাকে। মেয়েটিকে উদ্ধার করে ডোমকল মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। কিন্তু চিকিৎসকেরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। রাতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছেছিল জলঙ্গি থানার পুলিশ। ছাত্রীর দেহ ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে তারা। মৃত্যুর কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান এক পুলিশকর্তা।