সঙ্গে গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে। কিন্তু আসামিকে পাকড়াও করতে তাঁর বাড়ির কাছে যেতেই বাধা। আসামি ধরতে গিয়ে গ্রামবাসীদের হাতে মার খেলেন পুলিশকর্মীরা। শুধু তা-ই নয়, পুলিশের হাত থেকে আসামিকে প্রায় ছিনিয়ে নিয়ে চলে গেলেন কয়েক জন। মুর্শিদাবাদ জেলার এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শোরগোল জেলা প্রশাসনে। ইতিমধ্যে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করেছে পুলিশ।
স্থানীয় সূত্রে খবর, ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার রাতে। মুর্শিদাবাদের ডোমকলের কুচিয়ামোড়া এলাকায় গিয়েছিল পুলিশ। উদ্দেশ্য, কুচিয়ামোড়ার বাসিন্দা আজমত শেখকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যাওয়া। ওই ব্যক্তি একটি অস্ত্র মামলায় অভিযুক্ত। সম্প্রতি গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত। সেই মোতাবেক অভিযুক্তকে পাকড়াও করার প্রক্রিয়া শুরু হয়। পুলিশের কাছে খবর যায়, অভিযুক্ত ব্যক্তি তাঁর এলাকার একটি চায়ের দোকানে রয়েছেন। কিছু ক্ষণের মধ্যে সেখানে উপস্থিত হয় পুলিশ। চায়ের দোকান থেকে আজমতকে আটক করে গাড়িতে যখন তোলা হচ্ছে, ঠিক তখনই আসে বাধা। অভিযোগ, পুলিশকর্মীদের ঘিরে ধরেন কয়েক জন। গায়েও হাত তোলা হয়। ওই ব্যক্তিদের সামলানোর সময় ‘হাতছাড়া’ হয় আসামি।
হামলায় এক আধিকারিক-সহ বেশ কয়েক জন পুলিশকর্মী জখম হয়েছেন। পরে ডোমকল থানা থেকে পুলিশবাহিনী ঘটনাস্থলে যায়। এলাকা জুড়ে চিরুনি তল্লাশি চালিয়ে রাতেই ১০ জনকে আটক করা হয়েছে। তবে মূল অভিযুক্ত অধরা। তাঁর পাশাপাশি আরও কয়েক জন আক্রমণকারীর খোঁজে পুলিশ।
আরও পড়ুন:
সরকারি কাজে বাধা, কর্তব্যরত পুলিশকর্মীদের উপর হামলার অভিযোগ গুরুত্ব দিয়ে দেখছে জেলা পুলিশ প্রশাসন।